Homeটুডে বাংলা‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান থেকে লুটপাটের অভিযোগ, লাইভ শপিংয়ের বক্তব্যে ঘটনার নতুন ব্যাখ্যা

‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান থেকে লুটপাটের অভিযোগ, লাইভ শপিংয়ের বক্তব্যে ঘটনার নতুন ব্যাখ্যা

১০–১৫ জনের দল শোরুমে ঢুকে কেনাকাটা না করেই বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ; প্রতিষ্ঠানের দাবি, অফারের নিয়মের বাইরে দাবি মানতে অস্বীকৃতির পর পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়, ৯৯৯-এ ফোনের পর পুলিশ গিয়ে নিয়ন্ত্রণে আনে

ঢাকা | TODAY TV BD | বিশেষ প্রতিবেদন
১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

একটি ফ্যাক্টরি আউটলেটের প্রচারণামূলক অফারকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে সৃষ্টি হওয়া উত্তেজনা ও শোরুমে বিশৃঙ্খলার ঘটনায় এবার নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছে Live Shopping। প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কোনো সাধারণ ক্রেতা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিলেন না; বরং ১০ থেকে ১৫ জনের একটি দল পরিকল্পিতভাবে শোরুমে ঢুকে কেনাকাটা না করেই স্লোগান দিতে শুরু করে এবং পরে পরিস্থিতি সংঘর্ষ ও লুটপাটের মতো অবস্থায় চলে যায়।

প্রতিষ্ঠানটির দাবি, ঘটনার পরপরই তারা লাইভে এসে পরিস্থিতি জানায় এবং ভিডিও প্রমাণসহ থানায় লিখিত অভিযোগ করে। একই সঙ্গে তারা বলেছে, দেশের কয়েকটি গণমাধ্যম তাদের বক্তব্য না নিয়েই একপাক্ষিকভাবে খবর প্রকাশ করেছে।

তবে পুরো ঘটনার বিষয়ে পুলিশি তদন্ত বা মামলার অগ্রগতি সম্পর্কে স্বাধীনভাবে বিস্তারিত তথ্য এখনো প্রকাশিত হয়নি। ফলে Live Shopping-এর বক্তব্যের সঙ্গে অন্য পক্ষের বক্তব্য ও তদন্তের ফলাফল মিলিয়ে দেখার সুযোগ এখনো সীমিত।

কীভাবে ঘটনার শুরু

প্রতিষ্ঠানের দেওয়া বিবৃতি অনুযায়ী, ১১ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সকাল থেকেই শোরুমে স্বাভাবিকভাবে ক্রেতারা কেনাকাটা করছিলেন। এর মধ্যে হঠাৎ ১০ থেকে ১৫ জনের একটি দল সেখানে প্রবেশ করে।

প্রতিষ্ঠানটির দাবি, দলটি কোনো পণ্য কেনাকাটা না করেই শোরুমের ভেতরে ‘ভুয়া, ভুয়া’ স্লোগান দিতে শুরু করে। এতে সেখানে থাকা সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়। দূরদূরান্ত থেকে আসা কিছু ক্রেতা পরিস্থিতি দেখে শোরুমের ভেতর থেকে বেরিয়ে গেটের বাইরে অপেক্ষা করতে থাকেন।

Live Shopping বলছে, পরিস্থিতি শান্ত করার জন্য কর্মীরা ওই দলটির কাছে জানতে চান, তারা কী চান।

প্রতিষ্ঠানটির ভাষ্য অনুযায়ী, তখন তারা জানায়—তারা নিজেরা কেনাকাটা করবে না এবং অন্য কাউকেও কেনাকাটা করতে দেবে না। একই সঙ্গে তারা আগে নির্ধারিত অফারের বাইরে গিয়ে ফুটবল গেমে ‘শট’ দেওয়ার দাবি জানায়।

অফারের নিয়ম নিয়ে বিরোধ

Live Shopping-এর দাবি, তাদের প্রচারণামূলক অফারটি পরিষ্কারভাবে নির্ধারিত ছিল।

নিয়ম অনুযায়ী—

Shopping করুন → Token নিন → দুটি শট নিন → একটি গোল করুন → ৩ হাজার টাকা Instant Cashback জিতে নিন।

অর্থাৎ, প্রথমে নির্দিষ্ট পরিমাণ বা শর্ত অনুযায়ী কেনাকাটা করে টোকেন নিতে হবে। এরপর গেমে অংশ নিয়ে দুটি শটের মধ্যে একটি গোল করতে পারলেই ৩ হাজার টাকা ক্যাশব্যাক পাওয়ার সুযোগ রয়েছে—এমনটাই প্রতিষ্ঠানটির ব্যাখ্যা।

প্রতিষ্ঠানটি বলছে, শোরুমে উপস্থিত ওই দলটি এই নিয়মের বাইরে গিয়ে প্রথমে গেমে অংশ নেওয়ার দাবি করে। সেই দাবি মানতে রাজি না হওয়ায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

কর্মীদের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কির অভিযোগ

Live Shopping-এর বিবৃতি অনুযায়ী, তাদের সেলস এক্সিকিউটিভরা অফারের নিয়মটি বোঝানোর চেষ্টা করলে ওই ব্যক্তিরা ধাক্কাধাক্কি শুরু করেন।

প্রতিষ্ঠানটির দাবি, একপর্যায়ে শোরুমের পুরুষ ও নারী বিক্রয়কর্মীদের ওপরও আক্রমণ করা হয়। এতে কর্মীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং অনেকে ছোটাছুটি শুরু করেন।

এরপর পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে ‘লুটপাটের মতো’ অবস্থার সৃষ্টি হয় বলে দাবি করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

তবে ঘটনাস্থলে কী ধরনের হামলা হয়েছে, কতজন কর্মী আহত হয়েছেন, কেউ শারীরিকভাবে গুরুতর আহত হয়েছেন কি না—এসব বিষয়ে বিবৃতিতে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি।

পণ্য নিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার অভিযোগ

Live Shopping-এর সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ হলো, বিশৃঙ্খলার সুযোগ নিয়ে কয়েকজন শোরুমের পণ্য নিয়ে বেরিয়ে যান।

প্রতিষ্ঠানটির দাবি, কেউ শোরুমের ব্লেজার, কেউ শার্ট, আবার কেউ জুতা, সানগ্লাস, বেল্ট ও মানিব্যাগসহ বিভিন্ন ছোট পণ্য নিজেদের পকেট বা ব্যাগে রেখে গেট দিয়ে বের হয়ে যান।

প্রতিষ্ঠানটি বলছে, এ ঘটনার ভিডিও প্রমাণ তাদের কাছে সংরক্ষিত রয়েছে

তবে ওই ভিডিও এখনো স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। পণ্য নিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার অভিযোগে মোট কত টাকার ক্ষতি হয়েছে, সেটিও প্রতিষ্ঠানটি বিবৃতিতে উল্লেখ করেনি।

নিরাপত্তাকর্মীদেরও মারধরের অভিযোগ

পরিস্থিতি যখন আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে, তখন গেটে দায়িত্বে থাকা Live Shopping-এর নিজস্ব নিরাপত্তাকর্মীরাও মারধরের শিকার হন বলে দাবি করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

এরপর সাধারণ ক্রেতা, কর্মী ও নিরাপত্তাকর্মীদের নিরাপত্তার স্বার্থে মূল গেট বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানিয়েছে তারা।

কিন্তু ততক্ষণে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ায় ৯৯৯ নম্বরে ফোন করা হয়।

পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে

প্রতিষ্ঠানের ভাষ্য অনুযায়ী, ৯৯৯-এ ফোন করার পর বাংলাদেশ পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে যায়। পুলিশের তিনটি গাড়ি সেখানে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

পরে রাতেই Live Shopping কর্তৃপক্ষ ভিডিও প্রমাণসহ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে বলে জানানো হয়েছে।

তবে কোন থানায় মামলা বা অভিযোগ করা হয়েছে, এতে কতজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং পুলিশ এখন পর্যন্ত কাউকে আটক বা গ্রেপ্তার করেছে কি না—এসব বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের বিবৃতিতে বিস্তারিত তথ্য নেই।

‘কোনো কাস্টমারই মবকারী নন’

ঘটনার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে Live Shopping একটি বিষয় বিশেষভাবে স্পষ্ট করেছে।

তাদের বক্তব্য, “কোনো কাস্টমারই মবকারী নন, কাস্টমার তো কাস্টমারই।”

প্রতিষ্ঠানটি বলছে, তাদের নিয়মিত ও শুভাকাঙ্ক্ষী ক্রেতাদের একটি ছোট দল বিভ্রান্ত করেছে এবং ঘটনার জন্য সেই ‘গুটিকয়েক’ ব্যক্তিকেই দায়ী করছে তারা।

এই বক্তব্যের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠানটি সাধারণ ক্রেতাদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িত একটি সংঘবদ্ধ দলের মধ্যে পার্থক্য টানতে চেয়েছে।

গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে প্রতিষ্ঠান

ঘটনার পর Live Shopping দেশের কয়েকটি গণমাধ্যমের সংবাদ পরিবেশন নিয়েও আপত্তি জানিয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির অভিযোগ, তাদের সঙ্গে যোগাযোগ বা বক্তব্য না নিয়েই কিছু সংবাদমাধ্যম একপাক্ষিকভাবে খবর প্রকাশ করেছে।

তাদের ভাষ্য, প্রতিষ্ঠানটি গণমাধ্যমকে সম্মান করে এবং সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমগুলোকে তাদের Public Relations Department-এর সঙ্গে যোগাযোগ করে ভিডিও, লিখিত অভিযোগ ও অন্যান্য প্রমাণ যাচাই করার আহ্বান জানিয়েছে।

অর্থাৎ এই পর্যায়ে প্রতিষ্ঠানটি নিজেদের বক্তব্যকে শুধু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করেই থামেনি; বরং অভিযোগের পক্ষে থাকা ভিডিও ও নথি যাচাই করে প্রতিবেদন প্রকাশের অনুরোধ জানিয়েছে।

ক্রেতাদের কাছে দুঃখ প্রকাশ

ঘটনার কারণে যেসব ক্রেতা দূরদূরান্ত থেকে এসে কেনাকাটা করতে পারেননি বা গেমে অংশ নিতে পারেননি, তাঁদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে Live Shopping।

প্রতিষ্ঠানটির ভাষ্য, অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির কারণে অনেক মানুষ কষ্ট করে এসেও পণ্য কেনা বা অফারে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাননি।

এই পরিস্থিতিতে তারা গোল শট গেম ও ৩ হাজার টাকা Instant Cashback অফারের সময় আরও সাত দিন বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে।

প্রতিষ্ঠানের দাবি, এতে পরবর্তী সময়ে ক্রেতারা তুলনামূলক স্বস্তিতে কেনাকাটা করতে এবং গেমে অংশ নিতে পারবেন।

ঘটনার দুই দিকই এখন গুরুত্বপূর্ণ

এই ঘটনায় আপাতত দুটি আলাদা বয়ান সামনে এসেছে।

Live Shopping-এর ভাষ্য অনুযায়ী, একটি সংঘবদ্ধ দল শোরুমে ঢুকে অফারের নিয়মের বাইরে দাবি তোলে, পরে কর্মীদের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি, হামলা, ভাঙচুর ও পণ্য নিয়ে চলে যাওয়ার ঘটনা ঘটে।

অন্যদিকে, ঘটনার প্রাথমিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমভিত্তিক আলোচনায় ভিন্ন ধরনের দাবি ও অভিযোগও দেখা গেছে। কিন্তু সেগুলোর সবকিছু স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

তাই প্রকৃত ঘটনা নির্ধারণে শোরুমের সিসিটিভি ফুটেজ, মোবাইল ভিডিও, প্রত্যক্ষদর্শীর বক্তব্য, লিখিত অভিযোগ এবং পুলিশি তদন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

প্রচারণামূলক অফারকে ঘিরে কেন এমন পরিস্থিতি তৈরি হলো

Live Shopping-এর বক্তব্য অনুযায়ী, অফারটি মূলত কেনাকাটার সঙ্গে একটি গেম যুক্ত করে ক্রেতাদের জন্য তাৎক্ষণিক ক্যাশব্যাকের সুযোগ তৈরি করেছিল।

এ ধরনের প্রচারণায় একসঙ্গে অনেক ক্রেতা উপস্থিত হলে ব্যবস্থাপনায় চাপ তৈরি হতে পারে। শর্ত, টোকেন, গেমের সিরিয়াল এবং ক্যাশব্যাকের যোগ্যতা নিয়ে ভুল বোঝাবুঝির সুযোগও থাকে।

তবে এই ঘটনায় সেই ভুল বোঝাবুঝিই সংঘর্ষে রূপ নিয়েছিল, নাকি শুরু থেকেই একটি দল উদ্দেশ্যমূলকভাবে সেখানে গিয়েছিল—এটি এখনো নিশ্চিত নয়।

ব্র্যান্ডের জন্য ঘটনাটির আরেকটি দিকও রয়েছে

একটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের প্রচারণামূলক আয়োজন যখন জনসমাগম তৈরি করে, তখন শুধু পণ্যের প্রচারণা নয়, নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনাও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

বিশেষ করে ফুটবল শট বা ক্যাশব্যাকের মতো তাৎক্ষণিক পুরস্কারভিত্তিক অফারে ক্রেতাদের প্রত্যাশা বেশি থাকতে পারে। ফলে অফারের নিয়ম আগেই স্পষ্টভাবে জানানো, পর্যাপ্ত কর্মী রাখা, প্রবেশ ও বের হওয়ার ব্যবস্থা আলাদা রাখা এবং প্রয়োজন হলে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও বাড়ানো জরুরি হয়ে পড়ে।

এই ঘটনার পর Live Shopping-এর পক্ষ থেকে নিরাপত্তা ও আয়োজন ব্যবস্থাপনায় কী ধরনের পরিবর্তন আনা হচ্ছে, সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত জানানো হয়নি।

তদন্তে এখন যেসব প্রশ্নের উত্তর মিলতে পারে

ঘটনার প্রকৃত চিত্র পরিষ্কার করতে কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

শোরুমে ঠিক কতজন প্রবেশ করেছিলেন? তাঁদের মধ্যে কারা সংঘর্ষে জড়িত ছিলেন? অফারের বাইরে কী দাবি করা হয়েছিল? প্রথমে কারা ধাক্কাধাক্কি শুরু করেন? কোনো কর্মী বা নিরাপত্তাকর্মী আহত হয়েছেন কি না? পণ্য নিয়ে কেউ বেরিয়ে গেছেন কি না? গেলে কী পরিমাণ পণ্য নেওয়া হয়েছে? সিসিটিভি ফুটেজে এসব কতটা স্পষ্ট? আর পুলিশি অভিযোগের পর কারও বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না?

এসব তথ্য পাওয়া গেলে ঘটনাটির পূর্ণ চিত্র আরও পরিষ্কার হবে।

এখন সামনে পুলিশি তদন্ত ও প্রমাণ যাচাই

Live Shopping বলছে, তারা ভিডিও প্রমাণসহ থানায় লিখিত অভিযোগ করেছে। ফলে পরবর্তী পর্যায়ে পুলিশের তদন্তেই নির্ধারিত হতে পারে কারা ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং ঠিক কী ঘটেছিল।

একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির হাতে থাকা ভিডিও ও অন্যান্য প্রমাণ প্রকাশ্যে এলে সংবাদমাধ্যম ও সাধারণ মানুষের পক্ষেও ঘটনার বিভিন্ন দাবির সত্যতা যাচাই করা সহজ হবে।

এই মুহূর্তে নিশ্চিতভাবে বলা যায়, একটি বাণিজ্যিক অফারকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া বিরোধ দ্রুত এমন পর্যায়ে পৌঁছেছিল, যেখানে সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যেও আতঙ্ক তৈরি হয় এবং পুলিশকে হস্তক্ষেপ করতে হয়।

ঘটনার প্রকৃত কারণ, সংঘর্ষের সূচনা এবং লুটপাটের অভিযোগের সত্যতা এখন নির্ভর করছে তদন্ত ও প্রমাণ যাচাইয়ের ওপর।

তথ্যসূত্র: Live Shopping-এর আনুষ্ঠানিক লিখিত বক্তব্য; Live Shopping-এর প্রকাশিত ভিডিও ও প্রচারসামগ্রী; প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ব্যবসায়িক তথ্য; আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে দায়ের করা অভিযোগসংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানটির বক্তব্য। প্রতিষ্ঠানের উত্থাপিত অভিযোগগুলোর স্বাধীন তদন্তের ফল এই প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments