Homeনাগরিক দর্পণটাকার অভাবে কি নিভে যাবে ছোট্ট আলিফের জীবন? বাঁচার আকুতি ১২ বছরের...

টাকার অভাবে কি নিভে যাবে ছোট্ট আলিফের জীবন? বাঁচার আকুতি ১২ বছরের নিষ্পাপ শিশুর

চেন্নাই/ঢাকা | রবিবার, ১০ মে ২০২৬

​হাসি-খুশি এক শিশুর নাম আলিফ। পুরো নাম আবু বকর সিদ্দিক। বয়স মাত্র ১২ বছর। এই বয়সে যেখানে বন্ধুদের সঙ্গে মাঠে দৌড়ানোর কথা, স্কুলের বেঞ্চে বসে স্বপ্ন দেখার কথা—সেখানে আজ সে হাসপাতালের সাদা বিছানায় মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে।

​ভারতের ভেলোরের Christian Medical College Vellore হাসপাতালের একটি কক্ষে প্রতিদিন নিঃশব্দে ঝরছে এক পরিবারের কান্না। ছোট্ট আলিফের বুকের ভেতর বাসা বেঁধেছে ভয়ংকর ব্লাড ক্যান্সার—লিউকেমিয়া। প্রতিটি মুহূর্ত যেন তার জীবনের শেষ মুহূর্ত হয়ে উঠছে।

ক্যান্সারের থাবায় থেমে যাচ্ছে শৈশব

​২০২৪ সালে প্রথম ধরা পড়ে আলিফের ব্লাড ক্যান্সার। দীর্ঘ চিকিৎসা, কেমোথেরাপি আর অসহনীয় যন্ত্রণার পর পরিবার ভেবেছিল—হয়তো আলিফ আবার স্কুলে ফিরবে, আবার বন্ধুদের সঙ্গে খেলবে। কিন্তু নিয়তি যেন আরো নিষ্ঠুর হয়ে ফিরে আসে।

​২০২৬ সালের ২৭ এপ্রিল আবারও শরীরে ফিরে আসে ক্যান্সার। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, এখন আলিফকে বাঁচাতে জরুরি ভিত্তিতে বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট ছাড়া আর কোনো পথ নেই। কিন্তু সেই চিকিৎসার খরচ বহন করার সামর্থ্য নেই অসহায় পরিবারটির।

প্রতিদিন ঝরছে রক্ত, নিভে যাচ্ছে জীবন

​গত কয়েক দিনে আলিফের শরীর থেকে ১ লিটারেরও বেশি রক্তক্ষরণ হয়েছে। প্লাটিলেট নেমে এসেছে ভয়াবহ অবস্থায়। শরীরের ভেতরের রক্তক্ষরণ কোনোভাবেই থামছে না। শরীরের বিভিন্ন স্থানে কালচে দাগ পড়ে গেছে। পুরো শরীর ফ্যাকাসে হলুদ হয়ে গেছে। যন্ত্রণায় কুঁকড়ে যাচ্ছে ছোট্ট শিশুটা।

​একসময় যে শিশু মায়ের কোলে মাথা রেখে ঘুমাতো, আজ সে হাসপাতালের বেডে শুয়ে কাঁপা কণ্ঠে শুধু বলছে— “আমি কি আর ভালো হবো না?” এই প্রশ্নের উত্তর দিতে পারছেন না তার শোকাতুর বাবা-মাও।

বড় বোনের বুকফাটা কান্না

​আলিফের বড় বোন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন—

​“আমার ভাইটা খুব কষ্ট পাচ্ছে। ওর শরীর থেকে রক্ত বন্ধ হচ্ছে না। প্লাটিলেট কেনার টাকাও আমাদের কাছে নেই। চোখের সামনে আমার ভাইটা মারা যাচ্ছে, অথচ আমরা কিছুই করতে পারছি না। আপনারা একটু সাহায্য করুন। আমার ভাইটাকে বাঁচান…”

​এই আকুতি শুধু একটি পরিবারের নয়—এ যেন মৃত্যুর মুখে দাঁড়িয়ে থাকা একটি নিষ্পাপ শিশুর বাঁচার আর্তনাদ।

সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিন

​আপনার সামান্য সহযোগিতাই হয়তো ফিরিয়ে দিতে পারে আলিফের জীবন। হয়তো আপনার দেওয়া কিছু টাকা দিয়ে কেনা হবে এক ব্যাগ রক্ত, এক ব্যাগ প্লাটিলেট—যা আরো কিছুদিন সচল রাখবে ছোট্ট হৃদপিণ্ডটাকে। আজ যদি আমরা সবাই একটু করে পাশে দাঁড়াই, তাহলে হয়তো আলিফ আবার বই হাতে স্কুলে ফিরবে। আবার হাসবে। আবার “মা” বলে দৌড়ে এসে জড়িয়ে ধরবে।

🆘 যেভাবে আলিফের পাশে দাঁড়াতে পারেন

💳 ইসলামী ব্যাংক: (ক্যান্টনমেন্ট শাখা)
হিসাবধারী: সুলতান মাহমুদ মিয়া (আলিফের বাবা)
একাউন্ট: 20502030204396400
রাউটিং নম্বর: 125260738

💳 ট্রাস্ট ব্যাংক: (প্রিন্সিপাল শাখা)
হিসাবধারী: সুলতান মাহমুদ মিয়া
একাউন্ট: 00020310835397
রাউটিং নম্বর: 240275358

📲 বিকাশ / নগদ: 01789199683 (পার্সোনাল)

🔎 মানবিক আবেদন

​একটি শিশু শুধু টাকার অভাবে মারা যাক—এটা কি আমরা দেখতে পারি? আপনার কাছে যা সামান্য, আলিফের পরিবারের কাছে তা মহামূল্যবান। এই মাসুম বাচ্চাটির আবারও স্কুলে যাওয়ার এবং হাসার স্বপ্ন দেখার অধিকার কি নেই?

​আসুন, আমরা যে যার সামর্থ্য অনুযায়ী ছোট্ট আলিফের পাশে দাঁড়াই। আপনার একটি সাহায্য, একটি শেয়ার, একটি দোয়া—সবকিছুই আজ তার জীবনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments