Homeনাগরিক দর্পণবিদিশা সিদ্দিক: এরশাদ-পর্ব, পুরোনো অভিযোগ ও দুই দশকের আইনি অধ্যায়

বিদিশা সিদ্দিক: এরশাদ-পর্ব, পুরোনো অভিযোগ ও দুই দশকের আইনি অধ্যায়

২০০৫ সালে প্রথম বিয়ে নিয়ে সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদের অভিযোগ ঘিরে তুমুল বিতর্ক; ২০০৮ সালের ফ্ল্যাট মামলায় ২০২৬ সালে দুই বছরের সাজা, পরে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে

ঢাকা | TODAY TV BD | বিশেষ প্রতিবেদন

সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান প্রয়াত হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সাবেক স্ত্রী বিদিশা সিদ্দিক আবারও আলোচনায়। রাজধানীর একটি রেস্তোরাঁ থেকে গ্রেপ্তারের পর ২৬ আগস্ট তাঁকে আদালতে হাজির করা হলে গুলশান থানায় করা একটি প্রতারণা মামলায় দেওয়া দুই বছরের সাজা কার্যকর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়েছে। এর আগে চলতি বছরের ২০ মে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ফ্ল্যাট বিক্রির নামে প্রতারণার মামলায় তাঁকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছিলেন।

এই মামলাটি ২০০৮ সালে করা হলেও এর সূত্রপাত ২০০১ সালের একটি ফ্ল্যাট কেনাবেচার চুক্তি থেকে। আদালতের রায়ে যে অভিযোগ ও সাক্ষ্য-প্রমাণ বিবেচনায় এসেছে, তার ভিত্তিতেই বিদিশার সাজা হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁর জীবনের আরেকটি বহুল আলোচিত অধ্যায়—এরশাদের সঙ্গে সম্পর্ক ও ২০০৫ সালের দাম্পত্য বিরোধ—এখনও বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের আলোচিত ঘটনা হয়ে আছে।

সাম্প্রতিক গ্রেপ্তারের কারণ

মামলার বাদী এ কে এম মোশাররফ হোসেন শিকদারের অভিযোগ, ২০০১ সালে বারিধারা এলাকার একটি ফ্ল্যাট কেনার জন্য তিনি বিদিশার সঙ্গে চুক্তি করেন। ফ্ল্যাটটির মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছিল ৮০ লাখ টাকা এবং তিনি ৭৫ লাখ টাকা অগ্রিম পরিশোধ করেন। চুক্তি অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ফ্ল্যাটটি নিবন্ধন ও হস্তান্তরের কথা থাকলেও তা হয়নি—এমন অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী সময়ে মামলা করা হয়।

মামলাটি দায়ের হয় ২০০৮ সালে। দীর্ঘ বিচারপ্রক্রিয়ার পর ২০ মে ২০২৬ আদালত বিদিশাকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন। একই সঙ্গে ১০ হাজার টাকা জরিমানা এবং জরিমানা অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়।

রায়ের সময় বিদিশা আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। পরে তাঁর বিরুদ্ধে সাজা কার্যকরের পরোয়ানা জারি হয়। ২৫ আগস্ট রাতে গুলশানের একটি রেস্তোরাঁ থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরদিন আদালতে তাঁর পক্ষে আপিলের শর্তে জামিন চাওয়া হলেও আবেদন নামঞ্জুর করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।

বিদিশা- এরশাদ সম্পর্ক কীভাবে সামনে আসে

বিদিশা সিদ্দিকের জাতীয় পর্যায়ের পরিচিতি মূলত এরশাদের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের মধ্য দিয়ে ব্যাপকভাবে সামনে আসে। বিদিশার নিজের ভাষ্য নিয়ে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের একটি পুরোনো সাক্ষাৎকারে বলা হয়, লন্ডনে এরশাদের সঙ্গে তাঁর পরিচয় ও ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয় এবং পরে ১৯৯৯ সালে তাঁদের এনগেজমেন্ট হয়। ২০০০ সালে তাঁদের বিয়ে হয়।

তাঁদের সংসারে জন্ম নেয় ছেলে এরিক এরশাদ। পরবর্তী সময়ে তাঁদের দাম্পত্য সম্পর্ক ভেঙে যায় এবং ২০০৫ সালে এরশাদ প্রকাশ্যে বিদিশাকে তালাক দেওয়ার ঘোষণা দেন। সেই সময় থেকেই তাঁদের ব্যক্তিগত সম্পর্ক সরাসরি রাজনৈতিক ও আইনি বিরোধে রূপ নেয়।

প্রথম বিয়ে নিয়ে এরশাদের অভিযোগ কী ছিল

২০০৫ সালের দাম্পত্য বিরোধের সময় এরশাদ বিদিশার আগের বিয়েকে কেন্দ্র করে গুরুতর অভিযোগ তুলেছিলেন। সে সময় তিনি সাংবাদিকদের বলেন, বিদিশার সঙ্গে বিয়ের আগে তাঁর ধারণা ছিল বিদিশা আগের স্বামী থেকে বিচ্ছিন্ন। কিন্তু পরে তিনি জানতে পারেন, বিদিশার আগের স্বামী ছিলেন ব্রিটিশ নাগরিক পিটার স্টুয়ার্ট উইলসন এবং তাঁদের আইনগত বিচ্ছেদ সম্পন্ন হয়নি—এমনটাই দাবি করেন এরশাদ।

এরশাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০০২ সালে লন্ডনে অবস্থানের সময় বিদিশা ব্রিটিশ নাগরিকত্বের আবেদন ও পাসপোর্টসংক্রান্ত নথিতে পিটার উইলসনকে স্বামী হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন। এই নথির ভিত্তিতেই তিনি বিদিশার আগের বৈবাহিক সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

তবে এই অভিযোগ নিয়ে সেই সময় বিদিশার পক্ষ থেকে পাল্টা বক্তব্যও দেওয়া হয়েছিল। তাঁর আইনজীবীরা বলেন, তিনি এরশাদের সঙ্গে প্রতারণা করেননি এবং এসব অভিযোগের পেছনে ষড়যন্ত্র রয়েছে। তৎকালীন সংবাদ প্রতিবেদনে এরশাদের অভিযোগগুলো স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি বলেও উল্লেখ করা হয়েছিল।

অর্থাৎ প্রথম বিয়ে ও বিচ্ছেদসংক্রান্ত অভিযোগগুলোকে এরশাদের বক্তব্য ও তৎকালীন মামলাসংশ্লিষ্ট অভিযোগ হিসেবে উপস্থাপন করা যায়; এগুলোকে বর্তমান সময়ে আদালতে চূড়ান্তভাবে প্রমাণিত ঘটনা হিসেবে উপস্থাপন করার ভিত্তি নেই।

২০০৫: দাম্পত্য বিরোধ থেকে রাজনৈতিক সংঘাত

এরশাদ-বিদিশার বিরোধ শুধু পারিবারিক পর্যায়ে সীমাবদ্ধ ছিল না। ২০০৫ সালে জাতীয় পার্টির অভ্যন্তরেও বিষয়টি বড় রাজনৈতিক সংকট তৈরি করে।

এরশাদ বিদিশাকে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম থেকে সরিয়ে দেন এবং পরে তাঁদের দাম্পত্য সম্পর্কের অবসানের ঘোষণা দেন। সেই সময়ে বিদিশার বিরুদ্ধে চুরি, সম্পত্তি ক্ষতি ও হুমকিসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা করা হয় এবং তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিদিশার পক্ষ থেকে এসব অভিযোগকে রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত ষড়যন্ত্র হিসেবে বর্ণনা করা হয়।

তৎকালীন প্রতিবেদনে দেখা যায়, একদিকে এরশাদ বিদিশার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ তুলছিলেন; অন্যদিকে বিদিশার আইনজীবী ও সমর্থকেরা অভিযোগগুলো অস্বীকার করে তাঁকে ‘ষড়যন্ত্রের শিকার’ বলে দাবি করছিলেন।

এই বিরোধের মধ্যে বিদিশা গ্রেপ্তার হন, রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় এবং তাঁদের ছেলে এরিককে ঘিরেও পারিবারিক বিরোধ সামনে আসে। পুরো ঘটনাটি তখন জাতীয় রাজনীতির অন্যতম আলোচিত ঘটনায় পরিণত হয়েছিল।

বিদিশার নিজের বক্তব্যেও উঠে এসেছে সেই সময়ের কথা

বহু বছর পর দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বিদিশা নিজেই ২০০৫ সালের ঘটনাকে ভিন্নভাবে তুলে ধরেন। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে তিনি বলেন, বিএনপি সরকারের সময় এরশাদের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর তাঁকে রিমান্ডে নেওয়া ও কারাগারে পাঠানোর ঘটনাকে তিনি ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, ওই সময়ে তাঁকে রাজনৈতিকভাবে হেনস্তা করা হয়েছিল।

অর্থাৎ ২০০৫ সালের ঘটনার দুটি বিপরীত বয়ান পাওয়া যায়—একদিকে এরশাদের অভিযোগ, অন্যদিকে বিদিশার পক্ষের বক্তব্য। সে সময়ের বহু অভিযোগ আদালতের চূড়ান্ত রায়ে নিষ্পত্তি হয়েছে কি না, তা বর্তমান প্রতিবেদনের আলোচ্য নয়; তবে এই দ্বন্দ্বই তাঁদের সম্পর্ককে রাজনৈতিক সংঘাতে পরিণত করেছিল।

ফ্ল্যাটের মামলা আলাদা অধ্যায়

বর্তমান সাজা এবং গ্রেপ্তার যে মামলার কারণে হয়েছে, সেটি ২০০৫ সালের এরশাদ-বিদিশা বিরোধের মামলা নয়। এটি ফ্ল্যাট বিক্রির নামে প্রতারণার অভিযোগে করা পৃথক একটি মামলা

এই পার্থক্যটি গুরুত্বপূর্ণ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন সময় বিদিশার ব্যক্তিজীবনের পুরোনো অভিযোগ, এরশাদের সঙ্গে বিরোধ ও বর্তমান ফ্ল্যাট মামলাকে একসঙ্গে উপস্থাপন করা হলেও আইনগতভাবে এগুলো আলাদা ঘটনা।

ফ্ল্যাট মামলায় আদালত যে অভিযোগের বিচার করেছে, সেটি ২০০১ সালের লেনদেন এবং পরবর্তী অর্থ ফেরত না দেওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে। ২০০৮ সালে মামলা হওয়ার পর দীর্ঘ সময় বিচার চলে এবং ২০২৬ সালে সাজা হয়।

রায়ের পর বিদিশার অবস্থান

২০ মে রায় ঘোষণার পর বিদিশা বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, তিনি এ বিষয়ে অবগত নন।

পরে ২৬ আগস্ট আদালতে তাঁর পক্ষ থেকে আপিলের শর্তে জামিন আবেদন করা হয়। আইনজীবী আদালতে জানান, তাঁরা উচ্চ আদালতে সাজা চ্যালেঞ্জ করবেন। আদালত ওই দিন জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো নতুন দাবিগুলো

সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিদিশার জীবন নিয়ে বেশ কিছু বিস্তারিত দাবি ছড়িয়ে পড়েছে। এর মধ্যে রয়েছে অল্প বয়সে বিদেশি নাগরিককে বিয়ে, লন্ডনে নির্দিষ্ট ঠিকানায় দীর্ঘদিন বসবাস, সেখানে একাধিক সম্পত্তি কেনা, হুন্ডির মাধ্যমে বিপুল অর্থ পাচার এবং সেই সম্পত্তি থেকে নিয়মিত ভাড়া আয়ের মতো দাবি।

এসব দাবির কিছু অংশ পুরোনো ব্যক্তিগত কাহিনি বা রাজনৈতিক বিরোধের সঙ্গে মিশে ছড়ানো হচ্ছে। কিন্তু নির্দিষ্ট লন্ডন ঠিকানা, সম্পত্তির মালিকানা, অর্থের উৎস বা হুন্ডির মাধ্যমে অর্থপাচারের বিষয়ে নির্ভরযোগ্য সরকারি নথি, আদালতের রায় বা স্বতন্ত্র অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের পর্যাপ্ত প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

ফলে এসব তথ্যকে প্রতিষ্ঠিত সত্য হিসেবে না লিখে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রচারিত অভিযোগ বা দাবি হিসেবে আলাদা করে দেখা প্রয়োজন।

এরশাদের মৃত্যুর পর এরিক ও সম্পত্তির প্রশ্ন

২০১৯ সালে এরশাদের মৃত্যুর পর তাঁর পরিবার ও সম্পত্তি নিয়ে বিভিন্ন সময়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। ছেলে এরিকসহ পরিবারের সদস্যদের উত্তরাধিকার ও ট্রাস্টসম্পর্কিত বিষয়ও সংবাদে এসেছে।

তবে এরশাদ ট্রাস্টের মোট সম্পদের পরিমাণ, কারা কতটা সুবিধাভোগী এবং নির্দিষ্ট সম্পত্তির আইনগত মালিকানা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে নানা অঙ্ক ও দাবি ছড়ায়, সেগুলোর সবগুলোর সমর্থনে একই মাত্রার নির্ভরযোগ্য নথি পাওয়া যায় না।

তাই ‘শত কোটি টাকার সম্পত্তির একমাত্র উত্তরাধিকারী’—এ ধরনের দাবি ব্যবহারের ক্ষেত্রে আলাদা আইনি নথি প্রয়োজন।

একই ব্যক্তিকে ঘিরে দুই ভিন্ন সময়ের দুই মামলা

বিদিশা সিদ্দিকের বর্তমান অবস্থান বুঝতে ২০০৫ ও ২০২৬ সালের ঘটনা পাশাপাশি রাখলে একটি বিষয় পরিষ্কার হয়।

২০০৫ সালে তিনি ছিলেন এরশাদের স্ত্রী এবং জাতীয় পার্টির অভ্যন্তরীণ বিরোধের কেন্দ্রে। তাঁর বিরুদ্ধে তৎকালীন একাধিক অভিযোগ ওঠে, তিনি গ্রেপ্তার হন এবং এরশাদের সঙ্গে প্রকাশ্য সংঘাতে জড়িয়ে পড়েন।

২০২৬ সালে তিনি একজন সাবেক রাজনৈতিক নেতার স্ত্রী হিসেবে নয়, বরং একটি পৃথক প্রতারণা মামলায় দণ্ডিত আসামি হিসেবে আদালতের সাজা কার্যকরের কারণে কারাগারে গেছেন।

দুই ঘটনার সময়, মামলা ও প্রেক্ষাপট আলাদা।

বিদিশার সামনে এখন আইনি লড়াই

বর্তমানে বিদিশা কারাগারে রয়েছেন। তাঁর আইনজীবীরা সাজা চ্যালেঞ্জ করে আপিলের কথা জানিয়েছেন। ফলে আদালতের পরবর্তী কার্যক্রমই নির্ধারণ করবে এই মামলায় তাঁর সাজা বহাল থাকে কি না, কিংবা উচ্চ আদালতে কোনো পরিবর্তন আসে কি না।

একসময় জাতীয় পার্টির রাজনীতির আলোচিত মুখ, এরশাদের সঙ্গে বহুল আলোচিত দাম্পত্যের অংশ এবং পরবর্তীতে দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের এক আসামি—বিদিশা সিদ্দিকের জীবনের গল্পে ব্যক্তিগত সম্পর্ক, রাজনীতি ও আদালতের ঘটনা বারবার একে অন্যের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।

তবে বর্তমান আইনগত বাস্তবতা একটাই—ফ্ল্যাট বিক্রির নামে প্রতারণার মামলায় দুই বছরের কারাদণ্ডের রায় হয়েছে, সেই রায়ের ভিত্তিতে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠিয়েছেন।

তথ্যসূত্র: বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম, প্রথম আলো, দ্য ডেইলি স্টার, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (BSS), এনটিভি, জাগো নিউজ এবং ২০০৫ সালের দ্য ডেইলি স্টারের আর্কাইভ প্রতিবেদন। প্রথম বিয়ে ও পিটার উইলসনকে নিয়ে উল্লেখিত বিষয়গুলো তৎকালীন এইচ এম এরশাদের বক্তব্য ও সংবাদ প্রতিবেদনে প্রকাশিত অভিযোগ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে; সেগুলোকে বর্তমান প্রতিবেদনে স্বাধীনভাবে প্রমাণিত তথ্য হিসেবে ধরা হয়নি।

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments