ভবিষ্যতের দক্ষ নেতৃত্ব গড়ে তোলা এবং শিক্ষার্থীদের সঠিক ক্যারিয়ার দিকনির্দেশনা দেওয়ার প্রত্যয়ে অত্যন্ত সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ইংরেজি বিভাগের জনপ্রিয় আয়োজন ‘মেন্টর টক’-এর ত্রয়োদশ আসর। পড়াশোনার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নিজেদের প্রস্তুত করা এবং শ্রেণিকক্ষের গণ্ডি পেরিয়ে বাস্তবমুখী জ্ঞান অর্জনের তাগিদ নিয়ে আয়োজিত এই সেশনটি তরুণ শিক্ষার্থীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনার সৃষ্টি করেছে। দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে আয়োজিত এই ইভেন্টটি তরুণ প্রজন্মের ক্যারিয়ার গঠনে একটি মাইলফলক হিসেবে রূপ নিয়েছে।
এবারের আসরে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গবেষক ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব জাহিদ হোসাইন খান। তাঁর বর্ণাঢ্য কর্মজীবন ও অভিজ্ঞতার আলোয় সমৃদ্ধ এই সেশনটি শিক্ষার্থীদের জন্য ছিল অত্যন্ত শিক্ষণীয় ও অনুপ্রেরণাদায়ক। বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে কেবল একাডেমিক ডিগ্রির ওপর নির্ভর না করে কীভাবে নিজেদের দক্ষ করে তুলতে হবে, তার সুনির্দিষ্ট রূপরেখা তুলে ধরেন তিনি। সেশনজুড়ে ছিল প্রাণবন্ত আলোচনা, প্রশ্নোত্তর পর্ব এবং ক্যারিয়ার বিষয়ক নানা দিকনির্দেশনা।
শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে তাদের কৌতূহলী প্রশ্নগুলো অতিথির সামনে উপস্থাপন করেন এবং ক্যারিয়ারের বিভিন্ন জটিলতা নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেন। বিশেষ করে গণমাধ্যম, গবেষণা এবং কর্পোরেট সেক্টরে নিজেদের ক্যারিয়ার গড়ার ক্ষেত্রে কী ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া প্রয়োজন, সে বিষয়ে বিস্তারিত দিকনির্দেশনা পান শিক্ষার্থীরা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক প্রণব কান্তি দেব বলেন,
মেন্টর টক সিজন ১৩-এর মূল বার্তাটি ছিল অত্যন্ত সহজ অথচ সুদূরপ্রসারী: শ্রেণিকক্ষের গণ্ডির বাইরে নিজেকে গড়ে তোলো—পড়ো, অন্বেষণ করো, সম্পৃক্ত হও, লক্ষ্য স্থির করো এবং নিজের গন্তব্যে অবিচল থাকো। এই স্লোগানকে সামনে রেখেই শিক্ষার্থীরা তাদের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা সাজানোর অনুপ্রেরণা লাভ করেছে। সেশনটিতে উপস্থিত প্রতিটি শিক্ষার্থী তাদের নোটবুকে মূল্যবান কিছু অভিজ্ঞতা ও জীবনপাঠ যুক্ত করতে পেরে আনন্দ প্রকাশ করেন, যা তাদের আগামী দিনের পথচলাকে আরও সুগম করবে।
সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ইংরেজি বিভাগের এই দীর্ঘমেয়াদী উদ্যোগটি বরাবরই শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণিত, সংযুক্ত এবং ক্ষমতায়িত করে আসছে। সাধারণ একটি সেমিনারের গণ্ডি পেরিয়ে ‘মেন্টর টক’ আজ শিক্ষার্থীদের মানসিকতার পরিধি বাড়াতে এবং তাদের ভেতরের লুকিয়ে থাকা সম্ভাবনাগুলোকে জাগিয়ে তুলতে একটি আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছে।




