বাংলাদেশের তরুণদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন, ক্যারিয়ার প্রস্তুতি এবং ডিজিটাল নেটওয়ার্কিংয়ে সচেতনতা তৈরিতে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে লিংকডইন কমিউনিটি বাংলাদেশ (এলসিবি)। তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন এবং ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব তৈরির এই ধারাবাহিক উদ্যোগের অংশ হিসেবে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয়েছে “পার্সোনাল ব্র্যান্ডিং অ্যান্ড লিংকডইন অপটিমাইজেশন” শীর্ষক একটি গুরুত্বপূর্ণ সেমিনার।

হামদর্দ ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের অধীনে ভয়েস অব বিজনেস ক্লাব আয়োজিত এই সেমিনারে সহযোগিতায় ছিল এলসিবি। সেমিনারটিতে অংশগ্রহণ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষকবৃন্দ এবং বিভিন্ন খাতের পেশাজীবীরা। পুরো আয়োজনজুড়ে আলোচনায় উঠে আসে বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক চাকরির বাজারে ব্যক্তিগত পরিচিতি গড়ে তোলা, পেশাগত যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নিজেদের দক্ষভাবে উপস্থাপনের নানা গুরুত্বপূর্ণ দিক। অনুষ্ঠানের মূল বক্তা ছিলেন এলসিবি এবং ক্যারিয়ার টকসের প্রতিষ্ঠাতা আলতাফ হোসেন রাজু, পিএমপি। তিনি তার দীর্ঘ পেশাগত অভিজ্ঞতার আলোকে শিক্ষার্থীদের সামনে তুলে ধরেন কীভাবে একটি শক্তিশালী ব্যক্তিগত ব্র্যান্ড তৈরি করা যায়, কীভাবে লিংকডইন প্রোফাইলকে আরও কার্যকর ও আকর্ষণীয়ভাবে উপস্থাপন করা সম্ভব এবং কীভাবে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে কর্পোরেট জগতে নিজেকে প্রস্তুত করা যায়। তিনি রবি আজিয়াটা পিএলসি, ম্যারিকো বাংলাদেশ লিমিটেড, নেসলে বাংলাদেশ পিএলসি এবং পারফেটি ভ্যান মেলের মতো স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানে কাজ করার বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকেও শিক্ষার্থীদের গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
সেমিনারে অংশগ্রহণকারীরা জানতে পারেন কীভাবে একটি কার্যকর লিংকডইন প্রোফাইল তৈরি করতে হয়, কীভাবে শক্তিশালী ডিজিটাল পরিচিতি গড়ে তোলা যায়, কীভাবে পেশাগত নেটওয়ার্কিং ও কনটেন্ট এনগেজমেন্ট বৃদ্ধি করা যায়, এবং কীভাবে লিংকডইনকে ব্যবহার করে ক্যারিয়ার উন্নয়ন ও ধারাবাহিক শিক্ষার সুযোগ তৈরি করা সম্ভব। সেশনটি ছিল অত্যন্ত প্রাণবন্ত ও অংশগ্রহণমূলক। শিক্ষার্থীরা সক্রিয়ভাবে বিভিন্ন প্রশ্নোত্তর ও আলোচনায় অংশ নেন। ক্যারিয়ার পরিকল্পনা, যোগাযোগ দক্ষতা এবং পেশাগত উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা পুরো আয়োজনকে আরও সমৃদ্ধ করে তোলে।
সেমিনারের কনভেনর এবং মার্কেটিং বিভাগের প্রভাষক মোহাম্মদ রাহাদ হোসেন, বিভাগের প্রধান, সম্মানিত শিক্ষকবৃন্দ, আয়োজক টিম এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি। তাদের সার্বিক সহযোগিতা ও শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়নে আন্তরিক প্রচেষ্টার ফলেই সেমিনারটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ ধরনের উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং ডিজিটাল যুগের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় তাদের আরও আত্মবিশ্বাসী করে তুলবে।




