Homeনাগরিক দর্পণজিয়া হত্যা: জেনারেল মঞ্জুর—বিদ্রোহের নেতা নাকি ইতিহাসের বলির পাঁঠা?

জিয়া হত্যা: জেনারেল মঞ্জুর—বিদ্রোহের নেতা নাকি ইতিহাসের বলির পাঁঠা?

আত্মসমর্পণ ও জীবিত গ্রেপ্তারের পরও কেন আদালতের মুখোমুখি হতে দেওয়া হলো না জিপিওইউ মঞ্জুরকে; সেনা হেফাজতে তাঁর রহস্যময় হত্যাকাণ্ড এবং ইতিহাসের এক হারিয়ে যাওয়া মহাকাব্যিক সাক্ষ্যের অনুসন্ধান

১ জুন ২০২৬ | অনুসন্ধানী প্রতিবেদন: পর্ব–৩
১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিহত হওয়ার পর বাংলাদেশের সামরিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে যে নামটি সবচেয়ে বেশি আবর্তিত হয়েছিল, সেটি হলো মেজর জেনারেল এম এ মঞ্জুর। তৎকালীন সরকারি ও সামরিক বর্ণনায় তাঁকে এই রক্তক্ষয়ী বিদ্রোহের মূল খলনায়ক এবং প্রধান পরিকল্পনাকারী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। কিন্তু ইতিহাসের দীর্ঘ পথ পেরিয়ে আজ সাড়ে চার দশক পরও একটি মৌলিক প্রশ্ন ধাবমান—মঞ্জুর কি সত্যিই সেই হত্যাকাণ্ডের মূল মাস্টারমাইন্ড ছিলেন, নাকি তিনিও সেনাশাসনের অন্তরালে লুকিয়ে থাকা কোনো সুদূরপ্রসারী ক্ষমতার লড়াইয়ের নির্মম শিকার বা ‘বলির পাঁঠা’ হয়েছিলেন, যার পূর্ণ সত্য কখনো আলোর মুখ দেখেনি?
Today TV BD-এর ৮ পর্বের বিশেষ অনুসন্ধানধর্মী ধারাবাহিক “রাষ্ট্রপতি জেনারেল জিয়া হত্যাকাণ্ড”-এর তৃতীয় পর্বে আজ থাকছে ক্ষমতার অলিন্দে হারিয়ে যাওয়া সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এক সামরিক অধ্যায়ের চুলচেরা বিশ্লেষণ।

🎖 মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার থেকে চট্টগ্রামের জিওসি

মেজর জেনারেল আবুল মঞ্জুর ছিলেন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর একজন অত্যন্ত চৌকস কমিশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে তিনি বাঙালি সামরিক কর্মকর্তাদের একটি বড় অংশের মতো পাকিস্তানি সামরিক বৈষম্য ও শৃঙ্খলের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেন এবং স্বাধিকার আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়েন। ৮ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার হিসেবে তাঁর রণকৌশল ও বীরত্ব যুদ্ধ-পরবর্তী বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে তাঁকে দ্রুত সমাদৃত করে তোলে।
স্বাধীনতার পর পুনর্গঠিত সেনাবাহিনীতে যে কজন কর্মকর্তাকে অত্যন্ত পেশাদার, কঠোর শৃঙ্খলাপরায়ণ, স্পষ্টভাষী এবং প্রখর ধীসম্পন্ন ভাবা হতো, মঞ্জুর ছিলেন তাঁদের অন্যতম। তবে তাঁর এই অসম্ভব পেশাদারিত্বের সমান্তরালে সামরিক মহলে তাঁর একটি ভিন্ন পরিচিতিও ছিল—তিনি ছিলেন অত্যন্ত স্পষ্টভাষী ও উচ্চাভিলাষী। এই দুই বৈপরীত্যই পরবর্তীতে তাঁর সামরিক ও রাজনৈতিক জীবনকে এক ঝোড়ো মোহনায় এনে দাঁড় করায়।

⚡ জিয়া ও মঞ্জুর: সহযোদ্ধা থেকে মনস্তাত্ত্বিক দূরত্ব

১৯৭৫ সালের পটপরিবর্তনের পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামরিক বাস্তবতায় দ্রুত নতুন সমীকরণ তৈরি হতে থাকে। বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড, জেলহত্যা এবং ৭ নভেম্বরের সিপাহি-জনতার অভ্যুত্থানের পর জিয়াউর রহমান যখন ক্ষমতার কেন্দ্রে আসীন হন, তখন থেকেই শীর্ষ সামরিক নেতৃত্বের ভেতরে এক ধরনের অদৃশ্য মনস্তাত্ত্বিক প্রতিযোগিতার সৃষ্টি হয়।
জিয়া এবং মঞ্জুর—উভয়ই ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নের স্বপ্নদ্রষ্টা। তবে গবেষক ও ইতিহাসবিদদের মতে, সেনাবাহিনীর ভেতরে পাকিস্তানফেরত কর্মকর্তা বনাম মুক্তিযোদ্ধা কর্মকর্তাদের মধ্যকার আদর্শিক দ্বন্দ্ব এই দুই জেনারেলের সম্পর্কেও ফাটল ধরায়। জিয়াউর রহমান যখন সিভিলিয়ান বা বেসামরিক রাজনীতিতে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করছিলেন, তখন জেনারেল মঞ্জুর গ্যারিসনগুলোর ভেতরে মুক্তিযোদ্ধা অফিসারদের অধিকার ও ভাবাদর্শের পক্ষে এক ধরনের নীরব মেরুকরণ করছিলেন বলে অনেক সামরিক পর্যবেক্ষক দাবি করেন।

🔄 বদলির আদেশ: ঘটনার মোড় ঘোরানো ট্র্রিগার

জিয়া হত্যাকাণ্ড নিয়ে প্রকাশিত প্রায় সব প্রধান ঐতিহাসিক নথিতে জেনারেল মঞ্জুরের ‘বদলির আদেশ’কে একটি অন্যতম প্রধান অনুঘটক হিসেবে দেখা হয়। ১৯৮১ সালের মে মাসের শেষ সপ্তাহে হঠাৎ খবর ছড়িয়ে পড়ে যে, মঞ্জুরকে চট্টগ্রামের শক্তিশালী ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি পদ থেকে সরিয়ে ঢাকার স্টাফ কলেজে একটি নন-কমান্ড বা তুলনামূলক কম প্রভাবশালী ডেস্কে বদলি করা হয়েছে।

বদলির আদেশের সরকারি ব্যাখ্যাসামরিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ভিন্নমত
এটি ছিল সেনাবাহিনীর একটি নিয়মিত, রুটিন এবং প্রশাসনিক রদবদল।জিয়াউর রহমান চট্টগ্রাম কমান্ডে মঞ্জুরের ক্রমবর্ধমান রাজনৈতিক ও সামরিক প্রভাব নিয়ে অস্বস্তিতে ছিলেন।
নির্ধারিত সময়ে কর্মকর্তাদের পদায়ন পরিবর্তন করা স্বাভাবিক প্রক্রিয়া।মঞ্জুর এই আদেশকে তাঁর সামরিক ক্যারিয়ারের অবণতি এবং মুক্তিযোদ্ধা অফিসারদের কোণঠাসা করার একটি চাল হিসেবে দেখেছিলেন।
ইতিহাসবিদরা এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা দেন—এই বদলির ক্ষোভই যে মঞ্জুরকে সরাসরি বিদ্রোহের দিকে ঠেলে দিয়েছিল, এমন কোনো সরাসরি লিখিত বা প্রাতিষ্ঠানিক প্রমাণ আজ পর্যন্ত মেলেনি। তবে কাকতালীয় হলেও সত্য, জিয়া হত্যার মাত্র কয়েক দিন আগে এই স্পর্শকাতর আদেশটি কার্যকর হওয়ার প্রক্রিয়া চলছিল।

📻 ৩০ মে ভোর: চট্টগ্রামে ‘বিপ্লবী পরিষদ’ বিতর্ক

৩০ মে ভোরে সার্কিট হাউসে জিয়া নিহত হওয়ার পরপরই চট্টগ্রাম বেতার কেন্দ্র থেকে একটি বার্তা প্রচারিত হয়। সেখানে রাষ্ট্রপতির মৃত্যুর খবর জানিয়ে “বিপ্লবী পরিষদ” নামের একটি সংগঠনের পক্ষ থেকে সামরিক ফরমান জারি করা হতে থাকে। পরবর্তীকালে সরকারি তদন্তে দাবি করা হয়, এই ঘোষণার পেছনে মূল চালিকাশক্তি ছিলেন খোদ জেনারেল মঞ্জুর।
তবে এখানেই থেকে গেছে ইতিহাসের বড় এক অস্পষ্টতা। আজ পর্যন্ত তৎকালীন কোনো অডিও রেকর্ড বা লিখিত নথির সন্ধান পাওয়া যায়নি, যা নিঃসন্দেহে প্রমাণ করে যে ঘোষণাটি মঞ্জুর নিজে তৈরি বা পাঠ করেছিলেন। তবে এটা সত্য যে, সকাল হওয়ার সাথে সাথে তৎকালীন উদ্ভূত পরিস্থিতি সামাল দিতে এবং ঢাকার সাথে দরকষাকষি করতে তিনি নিজেকে এই বিদ্রোহের ফ্রন্টফেসে নিয়ে আসেন।

📉 ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে কেন ভেঙে পড়ল চট্টগ্রাম বিদ্রোহ?

বাংলাদেশের ইতিহাসে অনেক সামরিক অভ্যুত্থান সফল বা দীর্ঘস্থায়ী হলেও, ১৯৮১ সালের চট্টগ্রাম বিদ্রোহ শুরু হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে এর সুনির্দিষ্ট কারণগুলো ছিল:

  • ঢাকার দ্রুত কাউন্টার অ্যাকশন: সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল এইচ এম এরশাদ অত্যন্ত দ্রুততার সাথে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেন এবং বিমানবাহিনীকে ব্যবহার করে বিদ্রোহীদের ওপর মনস্তাত্ত্বিক চাপ সৃষ্টি করেন।
  • অন্যান্য গ্যারিসনের বিচ্ছিন্নতা: কুমিল্লা, যশোর বা বগুড়া কোনো ডিভিশনই চট্টগ্রামের বিদ্রোহীদের পক্ষে সাড়া দেয়নি।
  • সুস্পষ্ট রাজনৈতিক রূপরেখার অভাব: “বিপ্লবী পরিষদ” দেশ শাসনের কোনো গ্রহণযোগ্য এবং সুনির্দিষ্ট গাইডলাইন বা রাজনৈতিক মোটিভ জনগণের সামনে উপস্থাপন করতে পারেনি।
  • ভেতরের সমন্বয়হীনতা: বিদ্রোহের মূল চালিকাশক্তি জুনিয়র অফিসারদের সাথে সিনিয়র কমান্ডের (মঞ্জুর) চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের এক ধরনের দূরত্বের আভাস পাওয়া যায়।

👣 চা-বাগানের আত্মসমর্পণ ও সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার আকুতি

৩১ মে রাতে যখন পরিষ্কার হয়ে যায় যে ঢাকা কোনো আপসে যাবে না এবং বিদ্রোহ ব্যর্থ হয়েছে, তখন জেনারেল মঞ্জুর তাঁর পরিবার ও নিরাপত্তা কর্মকর্তা মেজর রেজাউল করিমকে নিয়ে খাগড়াছড়ির উদ্দেশ্যে সেনানিবাস ত্যাগ করেন। পথিমধ্যে ফটিকছড়ি-হাটহাজারী সীমান্তের একটি চা-বাগানের শ্রমিক লাইনে গাড়ি বিকল হয়ে পড়লে তিনি পুলিশের কাছে জীবিত অবস্থায় আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করেন।
এই অধ্যায়ের সবচেয়ে রোমাঞ্চকর তথ্যটি হলো—গ্রেপ্তার হওয়ার পর জেনারেল মঞ্জুর বারবার স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তাদের কাছে আকুতি জানিয়েছিলেন যাতে তাঁকে সাংবাদিকদের মুখোমুখি করা হয়। তিনি দেশবাসীর সামনে নিজের অবস্থান এবং সার্কিট হাউসের ঘটনার ভেতরের সত্যতা প্রকাশ করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু এক অদৃশ্য ইশারায় তাঁকে সেই সুযোগ দেওয়া থেকে সম্পূর্ণ বঞ্চিত করা হয়।

🛑 সেনা হেফাজতে রহস্যময় মৃত্যু: হারিয়ে গেল আদি সত্য

১ জুন ১৯৮১; পুলিশের কাছ থেকে অত্যন্ত তড়িঘড়ি করে জেনারেল মঞ্জুরকে সেনাবাহিনীর একটি বিশেষ স্কোয়াডের হেফাজতে হস্তান্তর করা হয়। আর সেনানিবাসে নেওয়ার পরপরই খবর আসে—মেজর জেনারেল এম এ মঞ্জুর নিহত। তৎকালীন সরকারি প্রেস নোটে দাবি করা হয়, “ক্ষুব্ধ ও উত্তেজিত সৈনিকদের” হামলায় তিনি মারা গেছেন।
তবে এই তত্ত্ব শুরু থেকেই চরমভাবে বিতর্কিত। জিয়া হত্যাকাণ্ডের সবচেয়ে প্রধান সন্দেহভাজন, যাকে জীবিত জিজ্ঞাসাবাদ করলে এই হামলার নেপথ্যের সব আন্তর্জাতিক, রাজনৈতিক ও সামরিক ব্লু-প্রিন্ট জানা সম্ভব হতো—তাঁকে কেন নিশ্ছিদ্র সামরিক পাহারার মাঝেও বাঁচানো গেল না? কেন তাঁকে কোনো প্রকাশ্য ট্রায়াল বা জবানবন্দি দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হলো না?

“মঞ্জুরের মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে জিয়া হত্যাকাণ্ডের সম্ভাব্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং অকাট্য লিভিং লেজিসলেশন বা সাক্ষ্য চিরতরে হারিয়ে যায়। তিনি বেঁচে থাকলে হয়তো জানা যেত—রাষ্ট্রপতির সিকিউরিটি কেন ইচ্ছাকৃতভাবে ফেইল করানো হয়েছিল এবং এই ক্ষমতার শূন্যতার চূড়ান্ত সুবিধাভোগী আসলে কারা ছিল।”
জিয়াউদ্দিন এম চৌধুরী, তৎকালীন জেলা প্রশাসক, চট্টগ্রাম

📦 জেনারেল মঞ্জুর এনকাউন্টার

  • পদবি: মেজর জেনারেল, বীর উত্তম, জিওসি (২৪ পদাতিক ডিভিশন)।
  • গ্রেপ্তারের স্থান: হাটহাজারী-ফটিকছড়ি সংলগ্ন চা-বাগান (জীবিত ও অক্ষত অবস্থায়)।
  • মৃত্যুর তারিখ ও স্থান: ১ জুন ১৯৮১, চট্টগ্রাম সেনানিবাস (সেনা হেফাজতে)।
  • আইনি পরিণতি: ১৯৯৫ সালে বেসামরিক আদালতে মঞ্জুর হত্যা মামলা শুরু হলেও প্রধান আসামি এইচ এম এরশাদের মৃত্যুর পর তা থমকে যায়।

যা নিশ্চিত

  • জেনারেল মঞ্জুর ছিলেন একজন দেশপ্রেমিক বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং জিয়া হত্যার ঘটনায় তাঁকে প্রধান অভিযুক্ত করা হয়েছিল।
  • তিনি কোনো সামরিক এনকাউন্টারে মারা যাননি; তাঁকে পুলিশ জীবিত গ্রেপ্তার করে সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করার পর তিনি সেনানিবাসে নিহত হন।
  • তাঁর অকালমৃত্যুর ফলে জিয়া হত্যাকাণ্ডের মূল বিচারিক প্রক্রিয়া এবং নেপথ্যের সত্য উদঘাটন চিরতরে বাধাগ্রস্ত হয়।
    যা এখনো নিশ্চিত নয়
  • সার্কিট হাউসে জিয়াকে সরাসরি গুলি করার যে সিদ্ধান্ত জুনিয়র অফিসাররা নিয়েছিল, সেটির পেছনে মঞ্জুরের সরাসরি গ্রিন সিগন্যাল ছিল নাকি তিনি কেবল পরিস্থিতির চাপে বিদ্রোহের দায় নিজের কাঁধে নিতে বাধ্য হয়েছিলেন।
  • ১ জুন রাতে চট্টগ্রাম সেনানিবাসের ভেতরে কার সরাসরি বা অলিখিত নির্দেশে এই বন্দি জেনারেলের মাথায় গুলি করা হয়েছিল।

📌 তথ্যসূত্র:

  • ঐতিহাসিক ও অনুসন্ধানী গ্রন্থ: অ্যান্থনি মাসকারেনহাস-এর ‘বাংলাদেশ: আ লিগ্যাসি অব ব্লাড’ এবং জিয়াউদ্দিন এম চৌধুরীর ‘দুই জেনারেলের হত্যাকাণ্ড: ১৯৮১-র ব্যর্থ সামরিক অভ্যুত্থান’।
  • আদালতের নথি: ১৯৯৫ সালে দায়েরকৃত জেনারেল মঞ্জুর হত্যা মামলার প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্ট ও চার্জশিট।
  • মিডিয়া আর্কাইভ: বিবিসি বাংলা স্পেশাল ডকু-সিরিজ এবং সমসাময়িক প্রতিরক্ষা দপ্তরের প্রেস রিলিজ (মে-জুন ১৯৮১)।

পরবর্তী পর্ব:
​”সেনাবাহিনীর ভেতরের অস্থিরতা: ১৯৭৫ থেকে ১৯৮১-র রক্তাক্ত ধারাবাহিকতা”

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular