সহপাঠী ছিলেন সাবেক স্পিকার শিরিন শারমিন, সাবেক উপদেষ্টা রিজওয়ানা ও আপিল বিভাগের বর্তমান বিচারপতি ফারাহ মাহবুব
ঢাকা | ১৪ মে ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন কি না, এ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে বিতর্ক শুরু হলে বিষয়টি স্পষ্ট করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল। বুধবার (১৪ মে) ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, তারেক রহমান ১৯৮৫-৮৬ শিক্ষাবর্ষে ঢাবির আইন বিভাগে ভর্তি হয়েছিলেন এবং প্রায় দুই মাস নিয়মিত ক্লাস করেছেন।
আসিফ নজরুল লেখেন, “তিনি অবশ্যই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন। আইন বিভাগের উপরের ব্যাচের ছাত্র হিসেবে তখনই বিষয়টা আমি জানতাম।”
তারেক রহমানের সহপাঠীদের মধ্যে ছিলেন জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার শিরিন শারমিন চৌধুরী, সাবেক উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান এবং সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বর্তমান বিচারপতি ফারাহ মাহবুব — এমনটাই জানিয়েছেন আসিফ নজরুল।

পড়াশোনা বন্ধের কারণ
অধ্যাপক আসিফ নজরুল জানান, তৎকালীন রাজনৈতিক পরিস্থিতি ছিল অত্যন্ত উদ্বেগজনক। জেনারেল এরশাদের কর্তৃত্ববাদী শাসনামলে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মৃত্যুতে এরশাদের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ ছিল। সম্ভবত সেই নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকির কারণেই তারেক রহমানের বিশ্ববিদ্যালয়-জীবন অসম্পন্ন থেকে যায় বলে তিনি মনে করেন।
🔎 বিশ্লেষণ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সফরকে ঘিরে তাঁর শিক্ষাগত পরিচয় প্রশ্নবিদ্ধ হয়। এই পরিস্থিতিতে আসিফ নজরুলের পোস্টটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। তিনি কেবল সরকারের একজন উপদেষ্টা নন, একই বিভাগের সমসাময়িক একজন প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে প্রথম হাতের তথ্য দিয়েছেন।
পোস্টটিতে ইতোমধ্যে ৩৯.৮ হাজার রিঅ্যাকশন ও ৩.৫ হাজার শেয়ার পড়েছে, যা বিষয়টির ব্যাপক জনআগ্রহ প্রমাণ করে।
📌 বিশেষ নোট: আসিফ নজরুলের বক্তব্য ব্যক্তিগত স্মৃতিনির্ভর। বিশ্ববিদ্যালয়ের দাপ্তরিক নথি বা রেজিস্ট্রার অফিসের আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ এখনও পাওয়া যায়নি।
সূত্র: ড. আসিফ নজরুলের ফেসবুক পোস্ট



