বাংলাদেশের জাতীয় বাছাইয়ে লড়বেন ১০ শিল্পী ও ব্যান্ড; বিজয়ী গান যাবে ব্যাংককের মূল আসরে
বাংলাদেশে প্রথম ইউরোভিশন এশিয়ার জাতীয় বাছাইপর্বের জন্য ১০টি গান চূড়ান্ত করা হয়েছে। ২৩ সেপ্টেম্বর আয়োজক এনটিভি জানিয়েছে, ‘ভয়েস অব বাংলাদেশ ২০২৬’-এর চূড়ান্ত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর রাত ৯টায়। এই অনুষ্ঠানের বিজয়ী গান বাংলাদেশকে ইউরোভিশন এশিয়ার মূল প্রতিযোগিতায় প্রতিনিধিত্ব করবে।
জাতীয় বাছাইয়ে জায়গা পাওয়া ১০টি গান হলো পুলক অধিকারীর ‘আনারি মাঝি’, শরতের ‘অনুশীলন’, ভিনটেজ থিওরির ‘বুমেরাং!’, লুবাইনা আফনানের ‘দিশেহারা’, নুসরাত জাহান কৃতির ‘দেশি স্টার’, বেনজীর জিলানীর ‘ঘুম চোখে রাত’, সাবকনশাসের ‘জানালাচোবি’, কৃষ্ণন বর্মণের ‘কচুরি ফুল’, দ্য কুশিয়ারা ওয়েভসের ‘লাভার্স প্রেয়ার’ এবং বিটমস্ফিয়ারের ‘তুমি এলে’।
প্রথম ইউরোভিশন এশিয়ায় বাংলাদেশ
ইউরোভিশন এশিয়া হচ্ছে এশিয়ার দেশগুলোর অংশগ্রহণে ইউরোভিশন সং-এর মতো একটি আন্তর্জাতিক সঙ্গীত প্রতিযোগিতা। উদ্বোধনী আসর অনুষ্ঠিত হবে ১৪ নভেম্বর থাইল্যান্ডের ব্যাংককে। বাংলাদেশ ছাড়াও ভুটান, কম্বোডিয়া, লাওস, মালয়েশিয়া, মঙ্গোলিয়া, নেপাল, ফিলিপাইন, দক্ষিণ কোরিয়া, থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনাম—মোট ১১টি দেশ এখন পর্যন্ত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেছে।
বাংলাদেশের বাছাইপর্বে একক শিল্পীর পাশাপাশি ব্যান্ডও অংশ নিচ্ছে। ফলে জাতীয় নির্বাচনে গানের ধরন, পরিবেশনা ও মঞ্চ উপস্থাপনায় বৈচিত্র্য দেখার সুযোগ থাকছে। তবে মূল আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার জন্য কোন গান নির্বাচিত হবে, তা ৩০ সেপ্টেম্বরের ফাইনালেই নির্ধারিত হবে।
সামনে আরও তথ্য
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রতিযোগীদের গানের ক্রম বা রানিং অর্ডার পরে প্রকাশ করা হবে। জাতীয় বাছাই অনুষ্ঠানের পর বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বকারী শিল্পী বা ব্যান্ডকে আন্তর্জাতিক মঞ্চের প্রস্তুতিতে যেতে হবে।
বাংলাদেশের সংগীতশিল্পীদের জন্য আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নতুন একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ‘ইউরোভিশন এশিয়া’কে ঘিরে ইতোমধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। এবার সেই আগ্রহ কতটা বড় দর্শকসমর্থনে রূপ নেয়, তার প্রথম বড় পরীক্ষা হবে ৩০ সেপ্টেম্বরের জাতীয় নির্বাচন।
তথ্যসূত্র: দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড; এনটিভি; ইউরোভিশন এশিয়া-সংশ্লিষ্ট তথ্য।




