Homeনাগরিক দর্পণসাত লাখ টাকা ঋণ করে ছেলেকে সৌদি পাঠিয়েছিলেন বাবা, ফিরছে না মরদেহও

সাত লাখ টাকা ঋণ করে ছেলেকে সৌদি পাঠিয়েছিলেন বাবা, ফিরছে না মরদেহও

নজরুল-সুইটি স্বামী-স্ত্রী নন বলে দাবি পরিবারের; মৃত্যুদণ্ডের পরও অজানা মামলার বিস্তারিত, ঋণের চাপে দিশেহারা দরিদ্র পরিবার

বিশেষ প্রতিবেদন | নাগরিক জার্নাল

সন্তানের ভবিষ্যৎ গড়তে সাত লাখ টাকা ঋণ করেছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার এক দরিদ্র কৃষক। আশা ছিল, সৌদি আরবে কাজ করে ছেলে পরিবারের অভাব দূর করবে, ঋণ শোধ করবে, একসময় ফিরবে স্বচ্ছলতা। কিন্তু সেই ছেলেই এখন আর বেঁচে নেই। সৌদি আরবের মক্কায় মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে নজরুল ইসলাম নামের ২৫ বছর বয়সী বাংলাদেশি যুবকের। ছেলের মৃত্যুর খবর পেয়েও মরদেহ দেশে ফেরত পাওয়ার নিশ্চয়তা নেই তাঁর বাবা আব্দুল বাছিরের। কোন অভিযোগে ছেলেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল, কীভাবে বিচার হয়েছে—এসব প্রশ্নের উত্তরও তাঁর কাছে স্পষ্ট নয়।

নজরুলের মৃত্যুদণ্ডের খবর প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁকে সুইটি আক্তারের স্বামী হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিয়ে নানা তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। তবে নজরুলের বাবা আব্দুল বাছির জানিয়েছেন, সুইটি আক্তার তাঁর ছেলের স্ত্রী নন; ওই নারীকে তাঁরা চেনেনও না। তাঁর ভাষ্য, সৌদি আরবে দুজন একই জায়গায় কাজ করতেন বলে তিনি শুনেছেন। ফলে তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত তথ্যকে নিশ্চিত সত্য হিসেবে নেওয়ার সুযোগ নেই।

নজরুলের পরিবারের বক্তব্যে উঠে এসেছে শুধু এক যুবকের মৃত্যুর শোক নয়, বিদেশে কর্মরত একজন বাংলাদেশির আইনি অবস্থান সম্পর্কে অন্ধকারে থাকা স্বজনদের অসহায়ত্বও। মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনা নিয়ে বাংলাদেশ সরকার সৌদি আরবের কাছে বিস্তারিত ব্যাখ্যা চেয়েছে। কিন্তু পরিবারের কাছে এখন সবচেয়ে জরুরি প্রশ্ন—ছেলের মরদেহ কি দেশে ফিরবে, আর যদি তাঁর বিরুদ্ধে অন্যায় হয়ে থাকে, তবে তার প্রতিকার কোথায়?

ছয় মাস কাজ, এরপর তিন বছর তিন মাস কারাগারে

নজরুল ইসলাম ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সুলতানপুর ইউনিয়নের বিরামপুর গ্রামের বাসিন্দা। পরিবারের আর্থিক সচ্ছলতার আশায় ২০২২ সালের ১০ নভেম্বর তিনি সৌদি আরবে পাড়ি দেন। স্বজনদের ভাষ্য অনুযায়ী, সেখানে যাওয়ার প্রায় ছয় মাস পর মক্কার একটি মসজিদে সুইটি আক্তারের সঙ্গে কথিত অনৈতিক কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে সৌদি পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে।

নজরুলের বাবা আব্দুল বাছির জাগো নিউজকে বলেন, কলেজে পড়ার সময়ই পরিবারের হাল ধরার জন্য ছেলেকে বিদেশে পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু সৌদি আরবে যাওয়ার পর মাত্র ছয় মাস কাজ করতে পেরেছিল নজরুল। এরপর টানা তিন বছর তিন মাস কারাগারে থাকতে হয়েছে বলে পরিবার জানতে পেরেছে। তবে কী কারণে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল, অভিযোগের পূর্ণ বিবরণ কী ছিল কিংবা বিচারপ্রক্রিয়ায় কী ঘটেছে—এসব বিষয়ে পরিবার এখনো পরিষ্কার তথ্য পায়নি বলে দাবি তাঁর।

বাবার বক্তব্যে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উঠে এসেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নজরুল ও সুইটি আক্তারকে স্বামী-স্ত্রী হিসেবে প্রচার করা হলেও আব্দুল বাছির বলেছেন, তাঁর ছেলে বিয়ে করেছে—এমন তথ্য পরিবার জানে না। সুইটি আক্তারকে তাঁরা চেনেন না বলেও জানিয়েছেন তিনি। ফলে দুই মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে অনুমাননির্ভর প্রচারের পরিবর্তে কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়াই জরুরি।

সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে দুই বাংলাদেশির বিরুদ্ধে একটি মসজিদে ‘অনৈতিক কাজের’ অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের কথা জানানো হয়েছে। তবে বিবৃতিতে অভিযোগের সুনির্দিষ্ট বিবরণ, ঘটনার বিস্তারিত পরিস্থিতি কিংবা বিচারপ্রক্রিয়ার পূর্ণ নথি প্রকাশ করা হয়নি। বাংলাদেশও মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর জানার পর সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য চেয়েছে।

সাত লাখ টাকার ঋণ, ফিরেছে দেড় লাখ

নজরুলের বাবা আব্দুল বাছিরের কাছে ছেলেকে বিদেশে পাঠানো ছিল পরিবারের ভবিষ্যৎ বদলে দেওয়ার একটি চেষ্টা। জাগো নিউজকে দেওয়া তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, সাত লাখ টাকা ঋণ করে ছেলেকে সৌদি আরবে পাঠিয়েছিলেন। নজরুল দেশে মাত্র দেড় লাখ টাকা পাঠাতে পেরেছিলেন। বাকি ঋণের বোঝা এখনো পরিবারের ওপর রয়েছে। ঋণদাতারাও টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

একদিকে সন্তানের মৃত্যুর শোক, অন্যদিকে ঋণের চাপ—সব মিলিয়ে পরিবারটি গভীর অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে। যে ছেলেকে বিদেশে পাঠিয়ে সংসারের হাল ফেরানোর আশা করেছিলেন, তাঁর আর ফিরে আসার সুযোগ নেই। পরিবারের দাবি, এখন পর্যন্ত কেউ তাঁদের কাছে এসে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পূর্ণ বিবরণ জানায়নি।

নজরুলের বাবা বলেন, “আমি আমার ছেলের মরদেহ দেশের মাটিতে ফিরে পেতে চাই। আমার ছেলেকে বিনা কারণে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়ে থাকলে এর বিচার চাই।”

এটি শুধু একজন বাবার আকুতি নয়; বিদেশে কর্মরত কোনো নাগরিক গুরুতর ফৌজদারি মামলায় জড়িয়ে পড়লে তাঁর পরিবার কীভাবে তথ্য, আইনি সহায়তা ও কূটনৈতিক যোগাযোগের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে, তারও প্রতিফলন। বিশেষ করে দরিদ্র পরিবারের পক্ষে বিদেশে আইনজীবী নিয়োগ, বিচারিক নথি সংগ্রহ কিংবা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা অত্যন্ত কঠিন।

মৃত্যুদণ্ডের খবরে স্বজনের মৃত্যু

নজরুলের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর পরিবারে শোকের পাশাপাশি আরও একটি মর্মান্তিক ঘটনা ঘটিয়েছে বলে জানিয়েছেন তাঁর বাবা। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ছেলের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর পাওয়ার পর নজরুলের ফুফু আবেদা বেগম বুধবার রাতে হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান।

নজরুলের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর বিরামপুর গ্রামে তাঁদের বাড়িতে প্রতিবেশী ও গ্রামবাসীরা যাচ্ছেন। পরিবারের খোঁজখবর নিচ্ছেন, সমবেদনা জানাচ্ছেন। কিন্তু স্বজনদের শোকের মধ্যেও রয়েছে অনেক প্রশ্ন—নজরুলের বিরুদ্ধে কী অভিযোগ ছিল, কোন আদালত মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছিল, তাঁর পক্ষে আইনি লড়াই কীভাবে হয়েছে এবং মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে পরিবার বা বাংলাদেশি কূটনৈতিক মিশনকে কী তথ্য জানানো হয়েছিল?

এসব প্রশ্নের উত্তর ছাড়া পরিবারটির পক্ষে ঘটনার পূর্ণ চিত্র বোঝা কঠিন।

দূতাবাসের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

নজরুলের মৃত্যুদণ্ডের ঘটনায় বাংলাদেশ সরকারের কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী, বাংলাদেশি কনস্যুলেট ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছে দুই বাংলাদেশির পরিচয়, তাঁদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ, বিচারপ্রক্রিয়া এবং মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চেয়েছে। ১৮ অক্টোবর ঢাকায় সৌদি রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠক করে বাংলাদেশ সরকার আবারও এ বিষয়ে ব্যাখ্যা চেয়েছে।

তবে নজরুলের পরিবার বলছে, দেশে তাঁদের সঙ্গে এখনো কেউ যোগাযোগ করেনি। পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ না থাকা এবং কূটনৈতিক মিশনকে আগে অবহিত না করার অভিযোগ দুই ধরনের প্রশ্ন সামনে আনে। প্রথমত, বিদেশে কোনো বাংলাদেশি গুরুতর মামলায় আটক হলে তাঁর পরিবারকে তথ্য জানানো এবং প্রয়োজনীয় কনস্যুলার সহায়তা দেওয়ার ব্যবস্থা কতটা কার্যকর? দ্বিতীয়ত, মৃত্যুদণ্ডের মতো চূড়ান্ত শাস্তির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের কূটনৈতিক মিশন কী পর্যায়ে বিষয়টি জানতে পেরেছিল এবং নাগরিকের অধিকার সুরক্ষায় কী পদক্ষেপ নিতে পেরেছিল?

বাংলাদেশ সরকার ইতিমধ্যে ব্যাখ্যা চেয়েছে—এটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। তবে শুধু তথ্য চাওয়াই যথেষ্ট নয়। সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে পূর্ণ বিবরণ সংগ্রহ, পরিবারকে অবহিত করা, মরদেহ দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া স্পষ্ট করা এবং বিচারপ্রক্রিয়ায় কোনো অনিয়ম ছিল কি না তা যাচাই করা জরুরি।

গ্রামের মানুষের দাবি: প্রকৃত ঘটনা জানানো হোক

নজরুলের মৃত্যুদণ্ড নিয়ে তাঁর গ্রামের মানুষের মধ্যেও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি গাজী নিয়াজুল করিম জাগো নিউজকে বলেছেন, সরকারের উচিত সৌদি আরবের সঙ্গে যোগাযোগ করে সঠিক তথ্য উদ্‌ঘাটন করা। তাঁর অভিযোগ, বাংলাদেশ দূতাবাস যথেষ্ট তৎপর হলে পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারত। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেছেন, নজরুলের পরিবারের সঙ্গে এখনো কেউ যোগাযোগ করেনি।

গ্রামের বাসিন্দা রাহাত ও মাইনুদ্দিনও মৃত্যুদণ্ডের মতো শাস্তি দেওয়ার ক্ষেত্রে আইনি প্রক্রিয়া ও আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন। তাঁদের মতে, বিদেশে কর্মরত দরিদ্র বাংলাদেশিদের অধিকার সুরক্ষায় সরকারকে আরও কার্যকর ভূমিকা নিতে হবে।

তবে নজরুলের অপরাধ, বিচারপ্রক্রিয়া কিংবা আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ নথি প্রকাশ্যে না আসায় এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব নয়। পরিবারের বক্তব্য ও গ্রামবাসীর অভিযোগের পাশাপাশি সৌদি কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বিবরণও জানা জরুরি। ন্যায়বিচারের স্বার্থেই অভিযোগ, প্রমাণ ও বিচারিক সিদ্ধান্ত সম্পর্কে স্পষ্ট তথ্য প্রকাশ করা প্রয়োজন।

যে প্রশ্নগুলোর উত্তর এখন জরুরি

নজরুল ইসলাম ও সুইটি আক্তারের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনা কেবল দুটি মৃত্যুর সংবাদ নয়। এটি বিদেশে বাংলাদেশি শ্রমিকদের নিরাপত্তা, কনস্যুলার সহায়তা, বিচারপ্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা এবং দরিদ্র পরিবারের ন্যায়বিচার পাওয়ার সক্ষমতা নিয়ে বড় প্রশ্ন তৈরি করেছে।

নজরুলের পরিবারের দাবি, তাঁদের কাছে ছেলের মামলার পূর্ণ বিবরণ নেই। তাঁর বাবা ছেলের মরদেহ দেশে ফেরত চান এবং বিচারপ্রক্রিয়ায় অন্যায় হয়ে থাকলে তার প্রতিকার দাবি করেছেন। অন্যদিকে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নজরুল ও সুইটিকে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে প্রচার করা হলেও তাঁর বাবা সেই দাবি অস্বীকার করেছেন। তাই ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে গুজব ছড়ানোর পরিবর্তে পরিবার ও কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে যাচাই করা তথ্য তুলে ধরা প্রয়োজন।

বাংলাদেশ সরকারের সামনে এখন কয়েকটি জরুরি দায়িত্ব রয়েছে: সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে মামলার পূর্ণ নথি ও রায়ের বিবরণ সংগ্রহ, দুই নাগরিকের পরিচয় ও অভিযোগ নিশ্চিত করা, মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে কূটনৈতিক যোগাযোগের পরিস্থিতি পরিষ্কার করা এবং নজরুলের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া। একই সঙ্গে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাঁদের প্রয়োজনীয় তথ্য ও সহায়তা দেওয়া জরুরি।

সাত লাখ টাকা ঋণ করে ছেলেকে বিদেশে পাঠানো এক বাবার এখন আর্থিক স্বচ্ছলতার স্বপ্ন নেই; রয়েছে ছেলের মরদেহ ফিরে পাওয়ার আকুতি আর ঘটনার সত্য জানার অপেক্ষা। তাঁর প্রশ্নের উত্তর কেবল শোক প্রকাশে মিলবে না। দরকার নির্ভরযোগ্য তথ্য, স্বচ্ছ তদন্ত এবং রাষ্ট্রের কার্যকর ভূমিকা।

বিদেশে একজন বাংলাদেশির জীবন ও বিচারপ্রক্রিয়া সম্পর্কে তাঁর পরিবার অন্ধকারে থাকবে কেন? মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পরও যদি পরিবারকে তথ্যের জন্য অপেক্ষা করতে হয়, তবে প্রবাসী নাগরিকের অধিকার সুরক্ষায় রাষ্ট্রের দায়িত্ব কতটা কার্যকর—সেই প্রশ্নের জবাব এখন জরুরি।

তথ্যসূত্র: জাগো নিউজ২৪, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম, দ্য ডেইলি স্টার, বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments