Homeটুডে ওয়ার্ল্ডযন্তর মন্তর: তিনশো বছরের এক মানমন্দির যেভাবে হয়ে উঠল ভারতের গণতন্ত্রের কণ্ঠস্বর

যন্তর মন্তর: তিনশো বছরের এক মানমন্দির যেভাবে হয়ে উঠল ভারতের গণতন্ত্রের কণ্ঠস্বর

জ্যোতির্বিজ্ঞানের যন্ত্র থেকে প্রতিবাদের প্রতীক — মহারাজা জয় সিংয়ের নির্মিত মানমন্দির আজ ঘিরে আছে নিট বিতর্ক, ছাত্র আন্দোলন আর রাজনৈতিক উত্তাপে

নাগরিক দর্পণ | আন্তর্জাতিক বিশেষ প্রতিবেদন | দিল্লি | জুলাই ২০২৬

দিল্লিতে কোনো আন্দোলন বা গণসমাবেশের খবর এলেই একটি নাম সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত হয় — ‘যন্তর মন্তর’। প্রায় তিনশো বছর আগে নির্মিত এই স্থাপনা মূলত ছিল একটি জ্যোতির্বিজ্ঞান মানমন্দির। অথচ আজ এটি পরিণত হয়েছে ভারতের গণতান্ত্রিক প্রতিবাদের সবচেয়ে পরিচিত ঠিকানায়। সাম্প্রতিক সময়ে নিট (NEET) প্রশ্নপত্র ফাঁস বিতর্ক, শিক্ষার্থীদের ব্যাপক আন্দোলন, সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুকের অনশন এবং ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র অবস্থান কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে আবারও গোটা বিশ্বের নজর এই স্থানটির দিকে।

যন্তর মন্তর আসলে কী

‘যন্তর মন্তর’ নামটি এসেছে সংস্কৃত দুটি শব্দ থেকে — ‘যন্ত্র’ (instrument) এবং ‘মন্ত্র’ (formula বা calculation), যা মিলিয়ে বোঝায় ‘গণনার যন্ত্র’। এটি মূলত পাথর ও ইট দিয়ে তৈরি একগুচ্ছ বিশালাকার স্থাপত্য-যন্ত্রের সমষ্টি, যেগুলো ব্যবহৃত হতো সূর্য, চাঁদ ও গ্রহ-নক্ষত্রের অবস্থান পর্যবেক্ষণ, সময় নির্ণয় এবং জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক ঘটনা পূর্বাভাসের জন্য। আধুনিক দূরবিন-নির্ভর মানমন্দিরের সঙ্গে তুলনা করলে এটি সম্পূর্ণ ভিন্ন এক ধারণা — এখানে কোনো লেন্স বা কাচের যন্ত্র নেই, বরং বিশাল আকৃতির পাথুরে কাঠামোর মধ্য দিয়ে ছায়া ও কোণ পরিমাপ করে গণনা করা হতো মহাজাগতিক গতিবিধি।

কে বানিয়েছিলেন, কবে বানানো হয়েছিল

দিল্লির এই যন্তর মন্তর নির্মাণ করেন জয়পুরের মহারাজা সওয়াই জয় সিং (দ্বিতীয়), ১৭২৪ সালে। মাত্র ১১ বছর বয়সে ১৭০০ সালে আম্বেরের সিংহাসনে বসা এই রাজা ছিলেন গণিত ও জ্যোতির্বিদ্যার প্রতি গভীরভাবে অনুরাগী। তাঁর লক্ষ্য ছিল, তৎকালীন প্রচলিত জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক সারণিগুলোর ভুলত্রুটি সংশোধন করে অধিকতর নির্ভুল গণনা প্রতিষ্ঠা করা।

এই উদ্দেশ্যে তিনি একা দিল্লিতেই থেমে থাকেননি — মোট পাঁচটি মানমন্দির নির্মাণ করেছিলেন দিল্লি, জয়পুর, উজ্জয়িনী, বারাণসী ও মথুরায়। এর মধ্যে জয়পুরের যন্তর মন্তরটি ছিল আকারে সবচেয়ে বৃহৎ, যেখানে তিনি স্থাপন করেছিলেন প্রায় ২০টি স্থায়ী যন্ত্র। দিল্লির যন্তর মন্তরটি নির্মিত হয়েছিল ভারতীয় ঐতিহ্যবাহী জ্যোতির্বিজ্ঞান এবং ফার্সি, ইসলামি ও ইউরোপীয় জ্ঞানের সমন্বয়ে — যা তৎকালীন মুঘল সাম্রাজ্যের বহুসাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলের একটি অনন্য প্রতিফলন।

দিল্লির স্থাপনার সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য যন্ত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে রাম যন্ত্র, সম্রাট যন্ত্র, জয়প্রকাশ যন্ত্র এবং মিশ্র যন্ত্র — প্রতিটিরই ভিন্ন ভিন্ন জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক কার্যকারিতা ছিল।

ইতিহাসের ভাঙাগড়া

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই স্থাপনার ওপর দিয়ে বয়ে গেছে নানা উত্থান-পতন। ১৮৫৭ সালের মহাবিদ্রোহের সময় দিল্লির যন্তর মন্তর যথেষ্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়েছিল। জয়পুরের যন্তর মন্তরও উনিশ শতকের শেষদিকে অবনতির শিকার হয়, যা ১৯০১ সালে মহারাজা রাম সিংয়ের উদ্যোগে পুনরুদ্ধার করা হয়। দিল্লির স্থাপনায় ১৯১০ সালে স্থাপিত একটি স্মারকে উল্লেখ ছিল, এটি ১৭১০ সালে নির্মিত — যদিও পরবর্তী গবেষণায় প্রমাণিত হয়, প্রকৃত নির্মাণকাল ১৭২৪ সাল।

আজ দিল্লির যন্তর মন্তর অবস্থিত পার্লামেন্ট স্ট্রিটে, রাজধানীর একেবারে কেন্দ্রস্থলে — একটি ঐতিহাসিক ও সংরক্ষিত স্থাপত্য নিদর্শন হিসেবে, যা প্রতিদিন দেশ-বিদেশের অসংখ্য পর্যটকের কৌতূহল মেটায়।

যেভাবে হয়ে উঠল প্রতিবাদের প্রতীক

জ্যোতির্বিজ্ঞানের একটি স্থাপনা কীভাবে রাজনৈতিক প্রতিবাদের কেন্দ্রে পরিণত হলো — এই প্রশ্নের উত্তর লুকিয়ে আছে ভারতের প্রশাসনিক ইতিহাসে।

দিল্লির আগের প্রধান প্রতিবাদস্থল ছিল বোট ক্লাব এলাকা। কিন্তু ১৯৮৮ সালে সেখানে প্রায় পাঁচ লাখ কৃষকের বিশাল সমাবেশ অনুষ্ঠিত হওয়ার পর জনদুর্ভোগ ও নিরাপত্তা নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ তৈরি হয়। এরপর বোট ক্লাবে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করা হয়। তারও পরে, ১৯৯৩ সালে সংসদ ভবনের আশপাশে জনসমাবেশ ও বিক্ষোভের ওপর সরাসরি নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।

এই দুই সিদ্ধান্তের ফলে নাগরিকদের শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের জন্য নির্ধারণ করা হয় যন্তর মন্তর রোড। এর পেছনে ছিল একটি কৌশলগত বিবেচনাও — রাজধানীর কেন্দ্রস্থলে অবস্থান করলেও যন্তর মন্তর থেকে সংসদ ভবন ও প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনের দূরত্ব তুলনামূলকভাবে বেশি, ফলে এখানকার কর্মসূচির প্রভাব সরাসরি প্রশাসনিক কেন্দ্রে পড়ে না। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের জন্য জায়গাটি সহজগম্য হওয়ায় এটি দ্রুতই পরিচিত হয়ে ওঠে প্রতিবাদের ঠিকানা হিসেবে।

২০১৮ সালে ভারতের সর্বোচ্চ আদালত একটি গুরুত্বপূর্ণ রায়ে জানায়, আইন মেনে শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ করা প্রতিটি নাগরিকের মৌলিক অধিকার। এই রায়ের পর যন্তর মন্তরের গুরুত্ব আরও বেড়ে যায়, এবং এটি পরিণত হয় দেশের বিভিন্ন প্রান্তের আন্দোলনকারীদের কাছে প্রতীকী এক মিলনস্থলে।

‘ককরোচ জনতা পার্টি’: এক বিতর্কিত মন্তব্য থেকে জন্ম নেওয়া আন্দোলন

সাম্প্রতিক আন্দোলনের প্রেক্ষাপট বুঝতে হলে ফিরে তাকাতে হবে এই বছরের মে মাসে। ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এক শুনানিতে বেকার যুবকদের নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেন — অভিযোগ উঠেছে, তিনি পরোক্ষভাবে তাদের ‘তেলাপোকা’ ও সমাজের ‘পরজীবী’ হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন।

এই মন্তব্যের প্রতিবাদে রাজনৈতিক কৌশলবিদ অভিজিৎ দিপক ব্যঙ্গাত্মকভাবে গঠন করেন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি)। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই সংগঠনের জনপ্রিয়তা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায় এবং এটি পরিণত হয় তরুণদের ক্ষোভ প্রকাশের একটি প্রতীকী মঞ্চে।

নিট বিতর্ক ও ছাত্র আন্দোলনের উত্তাল জুলাই

একই সময়ে দানা বাঁধতে থাকে আরেকটি বড় সংকট — নিট (NEET) প্রশ্নপত্র ফাঁস ও পরীক্ষা ব্যবস্থাপনার অনিয়মের অভিযোগ। এই ইস্যুতে ছাত্র সংগঠনগুলোর সঙ্গে যুক্ত হয় সিজেপি, এবং দিল্লির যন্তর মন্তর আবারও পরিণত হয় আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দুতে।

২১ জুলাই পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আন্দোলনকারীদের প্রতি প্রকাশ্যে সমর্থন জানান। ২২ জুলাই থেকে যন্তর মন্তরে অনশনমঞ্চে শিক্ষার্থী, তরুণ, সমাজকর্মী ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সমর্থকদের ভিড় ক্রমেই বাড়তে থাকে। আন্দোলনকারীদের প্রধান দাবি ছিল কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ এবং শিক্ষাব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা। আন্দোলনের অন্যতম মুখ, প্রখ্যাত সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক, অনশনের একপর্যায়ে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) যন্তর মন্তর এলাকায় উত্তেজনা আরও তীব্র হয় — রাতে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাথর ছোড়ার অভিযোগ ওঠে। এই পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন বিরোধী নেতা রাহুল গান্ধী। পরে তাঁকে আটক করা হলে সেখান থেকেই তিনি সরকারের কাছে পাঁচ দফা দাবি তুলে ধরেন।

২০ জুলাই সিজেপির আহ্বানে প্রায় ২০ হাজার তরুণ ও শিক্ষার্থী সংসদ ভবনের দিকে পদযাত্রার চেষ্টা করলে মধ্য দিল্লিতে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। যন্তর মন্তর ও কনট প্লেস এলাকায় আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করে বলে অভিযোগ উঠেছে। এরপর আন্দোলনকারীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে অভিজিৎ দিপক নতুন কোনো সড়ক কর্মসূচি আপাতত স্থগিত রাখার ঘোষণা দেন — তবে যন্তর মন্তরে অনির্দিষ্টকালের অবস্থান ধর্মঘট ও শান্তিপূর্ণ আন্দোলন অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত জানান তিনি।

পুলিশি বাধা ও রাহুল গান্ধীর ক্ষোভ

২৩ জুলাই যন্তর মন্তরে সিজেপির ডাকা প্রতিবাদ সমাবেশে যোগ দিতে যাওয়া শিক্ষার্থীদের পথ আটকে দেয় দিল্লি পুলিশ। কর্মসূচিস্থল থেকে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার আগেই অটোরিকশায় রওনা দেওয়া একদল শিক্ষার্থীকে থামিয়ে দিয়ে সামনে এগোতে বাধা দেওয়া হয়। কেন্দ্রীয় দিল্লির বিভিন্ন পয়েন্টে সেদিন কড়া নিরাপত্তা বলয় তৈরি করে রাখে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

এই ঘটনায় দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের রাজপথ বা যন্তর মন্তরের মতো স্থানে আয়োজিত কর্মসূচিতে যোগদানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হলে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন রাহুল গান্ধী। বিরোধী দলের নেতা এই সিদ্ধান্তকে শিক্ষার্থীদের গণতান্ত্রিক অধিকারের ওপর সরাসরি হস্তক্ষেপ হিসেবে চিহ্নিত করেন।

তৃণমূল কংগ্রেসের সংসদ সদস্য মহুয়া মৈত্র কটাক্ষ করে বলেন, সরকারের কাছে এই আন্দোলন যেন “আউট অব সিলেবাস”।

আন্দোলন ছড়িয়েছে দেশের সীমানা পেরিয়ে

এই আন্দোলনের ব্যাপ্তি শুধু দিল্লিতেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। মুম্বাই, বেঙ্গালুরু, পাটনা ও কলকাতার মতো ভারতের বড় বড় শহরে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে, এমনকি দেশের সীমানা পেরিয়ে বিদেশেও এর প্রতিধ্বনি শোনা গেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছে বলে জানা গেছে।

দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রিনা রাওয়াত এই আন্দোলনের চেতনা তুলে ধরে বলেন, “এই আন্দোলন পুরোপুরি মানুষের সহমর্মিতা আর আমাদের ঐক্যের ওপর দাঁড়িয়ে আছে।” পুলিশের লাঠির আঘাতে আহত হওয়ার পরদিনই তিনি আবার ফিরে আসেন বিক্ষোভস্থলে।

🔎 বিশ্লেষণ: একটি মানমন্দির যেভাবে হয়ে ওঠে ইতিহাসের সাক্ষী

জ্যোতির্বিজ্ঞানের নিদর্শন হিসেবে যাত্রা শুরু করা যন্তর মন্তর আজ যেন ভারতের গণতান্ত্রিক চেতনার আরেক নাম। মহারাজা জয় সিং যখন এই স্থাপনা নির্মাণ করেছিলেন, তখন তাঁর লক্ষ্য ছিল আকাশের গ্রহ-নক্ষত্রের গতিবিধি নির্ভুলভাবে অনুধাবন করা। তিনশো বছর পরে এই একই স্থাপনা পরিণত হয়েছে মাটির মানুষের কণ্ঠস্বর প্রকাশের এক অনন্য মঞ্চে — যেখানে বিভিন্ন সময়ে কৃষক, শিক্ষার্থী, সমাজকর্মী ও রাজনৈতিক কর্মীরা এসে দাঁড়িয়েছেন তাঁদের ন্যায্য দাবি নিয়ে।

এই ধারাবাহিকতা এক অর্থে প্রতীকী — যে স্থাপনা একদিন মহাজাগতিক শৃঙ্খলা বোঝার চেষ্টা করেছিল, আজ সেটিই হয়ে উঠেছে সামাজিক ও রাজনৈতিক শৃঙ্খলার প্রশ্নে জনতার কণ্ঠস্বরের প্রতীক।

🧭 এরপর কী

বর্তমানে যন্তর মন্তরে অনির্দিষ্টকালের অবস্থান ধর্মঘট চলমান রয়েছে। নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস কেলেঙ্কারির তদন্ত, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি এবং সরকারের সঙ্গে সম্ভাব্য আলোচনা — এই তিনটি বিষয়ের ওপরই নির্ভর করছে আন্দোলনের ভবিষ্যৎ গতিপ্রকৃতি। পুলিশি বাধা সত্ত্বেও আন্দোলনকারীদের অবস্থান অনড় থাকায় আগামী দিনগুলোতে এই সংকট আরও কোন মোড় নেয়, তা এখন সময়ের অপেক্ষা।


তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া, দৈনিক ইত্তেফাক, যুগান্তর, দেশ রূপান্তর, বাংলা ট্রিবিউন, ঢাকা টাইমস, দেশে বিদেশে, সংবাদ পরিক্রমা, উইকিপিডিয়া (যন্তর মন্তর, দিল্লি ও জয়পুর)

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments