Homeটুডে ওয়ার্ল্ডহাদি খুনের আসামি ভারতে গ্রেপ্তার, মুখ বন্ধ রাখতে বলেছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: মমতা

হাদি খুনের আসামি ভারতে গ্রেপ্তার, মুখ বন্ধ রাখতে বলেছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: মমতা

মেঘালয় হয়ে পশ্চিমবঙ্গে অনুপ্রবেশের পর গ্রেপ্তার; ‘দেশের স্বার্থে’ তৎকালীন রাজ্য সরকারকে তথ্য গোপনের অনুরোধ করা হয়েছিল বলে দাবি তৃণমূল প্রধানের**

কলকাতা | ৩ জুন ২০২৬
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেসের প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক বিস্ফোরক দাবি করেছেন। তাঁর দাবি অনুযায়ী, বাংলাদেশের একটি চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার আসামি ভারতের মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে পশ্চিমবঙ্গে প্রবেশের পর রাজ্য পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছিল। তবে এই স্পর্শকাতর গ্রেপ্তারের পর ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ‘দেশের স্বার্থে’ মমতার নেতৃত্বাধীন তৎকালীন পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে এই বিষয়ে সংবাদমাধ্যম বা জনসমক্ষে মুখ খুলতে কঠোরভাবে নিষেধ করেছিলেন। একটি বিশেষ ভিডিও প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক তথ্য সামনে এসেছে।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই দাবি ভারত ও বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং ভারতের অভ্যন্তরীণ সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। প্রতিবেদনে প্রকাশ, বাংলাদেশ থেকে অপরাধ করে ভারতে পালিয়ে আসা ওই আসামিকে পশ্চিমবঙ্গের পুলিশ নিখুঁত গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জালে তোলে। কিন্তু আন্তর্জাতিক ও কূটনৈতিক জটিলতা এড়াতে এবং রাষ্ট্রীয় সুরক্ষার স্বার্থে কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে রাজ্য সরকারকে বিষয়টি নিয়ে কোনো ধরনের আনুষ্ঠানিক বিবৃতি না দেওয়ার অনুরোধ বা নির্দেশ দেওয়া হয়।

পশ্চিমবঙ্গ ও দিল্লির কেন্দ্রীয় সরকারের মধ্যে দীর্ঘদিনের যে রাজনৈতিক টানাপোড়েন, তার মধ্যে মমতার এই নতুন দাবি সীমান্ত নিরাপত্তা ও কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর কার্যকারিতা নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলেছে। বিশেষ করে মেঘালয়ের মতো সংবেদনশীল সীমান্ত গলে কীভাবে একজন আন্তর্জাতিক অপরাধী ভারতের অভ্যন্তরে প্রবেশ করল এবং তা কেন্দ্রীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) নজর এড়িয়ে গেল, তা নিয়ে ভারতের রাজনৈতিক মহলে তুমুল আলোচনা চলছে।

ঘটনার নেপথ্য সমীকরণ:

  • কেন্দ্রীয় চরিত্র: পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
  • অভিযোগের ধরণ: বাংলাদেশে হত্যা মামলার আসামি মেঘালয় হয়ে পশ্চিমবঙ্গে অনুপ্রবেশ করে।
  • তৎকালীন পদক্ষেপ: পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য পুলিশ আসামিকে সফলভাবে গ্রেপ্তার করে।
  • কেন্দ্রের হস্তক্ষেপ: ভারতের তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ‘দেশের স্বার্থে’ রাজ্য সরকারকে মুখ খুলতে নিষেধ করেন।
  • সীমান্ত রুট: বাংলাদেশ ➔ ভারতের মেঘালয় রাজ্য ➔ পশ্চিমবঙ্গ।
  • তৃণমূল নেত্রীর সরাসরি বক্তব্য [💬 নীতিনির্ধারকদের বিস্ফোরক দাবি]:

“বাংলাদেশের একটি হত্যা মামলার আসামি মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে এ দেশে ঢুকে পড়েছিল। আমাদের পুলিশ তাকে পশ্চিমবঙ্গে গ্রেপ্তার করে। কিন্তু তৎকালীন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আমাকে ফোন করে বলেন, ‘দেশের স্বার্থে’ এই বিষয়ে যেন আমরা কোনো মুখ না খুলি বা কোনো বিবৃতি না দিই।”

📌 তথ্যসূত্র:
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য ও ভিডিও প্রতিবেদন

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular